নিজস্ব প্রতিনিধি : রবিবার এলেই মনটা কেমন উতলা হয়ে ওঠে ভাল কিছু খাওয়ার জন্য। কেননা সপ্তাহে এই একটি মাত্র দিন যেদিন আরাম করে বাজারে গিয়ে মনের পছন্দ মত কিছু কিনে এনে বাড়িতে রান্না করা। জমিয়ে ভুরিভোজ যাকে বলে। দুপুরের পাতে হোক বা ডিনারে গন্ধরাজ লেবুর সঙ্গে কচি পাঁঠার ঝোল জমে যাবে। বাঙালির চিরকালের ঐতিহ্য মাটন। এর সঙ্গে সাদা ভাত হোক বা পোলাও জমে হবে ক্ষীর।বাঙালির রসনাতৃপ্তির একেবারে শেষ কথা। লোভ সংবরন কি করা যায় নাকি ? তবে জেনে নিন লোভনীয় রেসিপির জন্য কি করবেন।
উপকরণ : ৬০০ গ্রাম কচি পাঁঠা, ৪ টে মাঝারি আলু (ডুমো ডুমো করে কাটা), পেঁয়াজ ৪ টে, ৩ টে টমেটো(মাঝারি মাপের কুঁচনো), ৫ কোয়া রসুন বাটা, ২ ইঞ্চি আদা বাটা, ৩ টেবল চামচ টকদই, ৪টে ছোট এলাচ, ১টা বড় স্টিক দারচিনি, ৩-৪টে লবঙ্গ, তেজপাতা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, ঘি, পরিমাণ মতো তেল, স্বাদ মতো লবন
প্রণালী : মাংসের মধ্যে দই, লবন, আর্ধেক আদা-রসুন বাটা, হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো দিয়ে অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন।
কড়াইতে তেল গরম করে ছোট এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বেরোলে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ লাল হয়ে গেলে এবার আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন যতক্ষণ না মিশ্রণটি সোনালি হয়ে আসছে ততক্ষণ নাড়তে হবে। মনে রাখবেন ফ্লেম হওয়া উচিত লো।
এর পর টমেটো কুঁচি দিয়ে দিন। টমেটো যখন নরম হয়ে গলে যাবে তখন মাংস ও আলু দিন। ভাজতে থাকুন যতক্ষণ না মাংসের রং বদলাচ্ছে ও জল ছাড়তে শুরু করছে। ততক্ষণ ভালো করে কষাতে থাকুন। মাংস জল ছাড়তে শুরু করলে সবশুদ্ধ নিয়ে প্রেশার কুকারে দিয়ে দিন। কতটা ঝোল প্রয়োজন সেই বুঝে জল দেবেন। প্রেশার কুকারের ঢাকনাটি চাপা দিয়ে ১২-১৫টা হুইসল পর্যন্ত সিদ্ধ করুন।
প্রেশার কুকারের স্টিম বের করে দিয়ে ঢাকনাটা খুলে দিন। এর পর ৭-১০ মিনিট আরও রাখুন। কতটা ঝোল চান সেই অনুযায়ী ঠিক করে নিন আঁচে কতক্ষণ রাখবেন।
মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে ঘি ও গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট গ্যাস অফ করে ঢাকা দিয়ে রাখুন। খাওয়ার আগে ঢাকনা খুলবেন। এর পর গরম ভাতের সঙ্গে গন্ধরাজ লেবুর সঙ্গে কচি পাঁঠার ঝোল জমে যাবে।