নিজস্ব প্রতিনিধি : সামনেই পৌষ সংক্রান্তি। এইসময় পিঠে না খেলেই নয়। বাংলায় রয়েছে এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব। এসেছে নবান্নের অনুষঙ্গ। নতুন ফসলের উৎসব। শস্যোৎসব যাকে বলে। নবান্নের ঘ্রাণে মেতে ওঠে গোটা পাড়া। নতুন ফসলের ঘ্রাণ নাকে আসে। এইসময় গ্রামবাংলার ঘরে নতুন ফসল ওঠে। উদযাপন হয় সেই ফসলের। বানানো হয় পিঠেপুলি। পিঠের মধ্যে অনেকে পাটিসাপটা খেতে খুব পছন্দ করে। কিন্তু এই পাটি সাপটার ভিন্ন স্বাদ পেতে চান ? তবে না হয় কিছু আলাদা বানিয়ে নিন। খেয়েছেন নাকি ছানা পালং পাটিসাপটা ? এটি খুব খুব সহজেই তৈরি করা যায়। দেখে নিন রেসিপি-
উপকরণ : খোয়া ক্ষীর ৪ চামচ, কাজু বাটা ও আমন্ড বাটা ৬ চামচ, কিসমিস বাটা ৪ চামচ, নারকেল বাটা ২ কাপ, ছানা ৩ কাপ,ঘি পরিমাণ মত, আদা বাটা ২ চামচ, জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোলমরিচের গুঁড়ো ১/৪ চামচ, লবন স্বাদ মত, শাহি গরমমশলা অল্প, পরিমাণ মত খেজুর গুড়
ব্যাটারের জন্য : চালের গুঁড়ো ২ কাপ, ময়দা ২ কাপ, সুজি ৪ কাপ, সিদ্ধ করে বাটা পালংশাক ৩ কাপ, আদার রস ১ চামচ এবং গুড়
প্রণালী : প্রথমে একটি কড়াই বা পাত্রে ঘি গরম করে আদাবাটা, জিরে গুঁড়ো এবং লবন দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। এরপর ম্যাশ করা ছানা ও গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ভালোমতো নেড়ে নিতে হবে। তাতে একে একে নারকেল বাটা, কাজু বাটা, আমন্ড বাটা, কিসমিস বাটা এবং গুড় দিয়ে ভালোভাবে পাক দিন। মিশ্রণ একটু ঘন হলে খোয়া ক্ষীর এবং শাহী গরমমশলা যোগ করে নামিয়ে নিন। পুর তৈরি।
এবার চালের গুঁড়ো, ময়দা ও সুজির সঙ্গে পালংশাক বাটা মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণে আদার রস, গুড়, সামান্য লবন ও জল মিশিয়ে একটা মোলায়েম ব্যাটার বানিয়ে নিন। এরপর তাওয়া গরম করে ঘি ব্রাশ করুন। আঁচ কমিয়ে ১ হাতা ব্যাটার দিয়ে গোলাকার রুটির আকারে বানিয়ে ওপরের দিক একটু শুকিয়ে এলে পরিমাণমতো পুর দিয়ে পাটিসাপটা গড়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। খেতে অসাধারণ হয় এই ছানা পালং পাটিসাপটা।