নিজস্ব প্রতিনিধি : সামনেই কালী পুজো। হাতে আর বেশি সময় নেই। খিচুড়ি-পোলাও তো অনেক হল যদি মুখের স্বাদ বদলাতে চান তবে দক্ষিণী রন্ধনশৈলীতে বানিয়ে ফেলুন সজনেপাতার ভাত। পুষ্টিগুণের জন্য দিনে দিনে মোরিঙ্গা খাওয়ার চল বাড়ছে। সজনেপাতার গুঁড়ো কোলেস্টেরল কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। দক্ষিণী স্টাইলে এই পদ হার মানাবে ফ্রায়েড রাইসকেও। অথচ এর পুষ্টিগুণ ও স্বাদ অনেকটাই বেশি। মুরগির মাংস কষার সঙ্গে জমে যাবে এই পদ। তবে দেরি না করে জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি।
উপকরণ : ৩ কাপ ভাত, ২ কাপ সজনেপাতা, ২ চা-চামচ ছোলার ডাল, ২ চা-চামচ বিউলির ডাল, সাদা তেল, ৩-৪টি লবঙ্গ, ৩-৪ কোয়া রসুন, ২-৩টি শুকনো লঙ্কা, সাদা তিল, সামান্য একটু তেঁতুল, গোটা জিরে, গোটা ধনে, এক চিমটে হলুদ ও হিং, ১ চা-চামচ কালো সর্ষে, স্বাদমতো লবন, ৫-৬টি কাজুবাদাম, কয়েকটি কারিপাতা ও এক মুঠো চিনেবাদাম
প্রণালী : এই রান্নাটি বেশ কয়েকটি ধাপে ধাপে হবে। প্রথমে তৈরি করে নিতে হবে ‘পোড়ি’। দক্ষিণী রন্ধনশৈলীতে বিভিন্ন মশলার মিশ্রণকে ‘পোড়ি’ বলা হয়।
প্রথমে তেল গরম করে রসুন কুচি, শুকনো লঙ্কা, তেঁতুল দিয়ে হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। এর সঙ্গে মেশান ছোলা এবং বিউলির ডাল, গোটা জিরে, ধনে এবং তিল। সমস্ত উপকরণ হালকা ভেজে সরিয়ে রাখুন।
এবার কড়ায় তেল দিয়ে সজনেপাতা মুচমুচে করে ভেজে নিতে হবে। এবার মিক্সিতে সজনেপাতা, নাড়াচাড়া করে নেওয়া মশলা, হিং, নুন, হলুদগুঁড়ো একসঙ্গে বেটে নিন।পরের ধাপে বেটে নেওয়া পোড়ি মশলা রান্না করা ভাতের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
এবার দিতে হবে ফোড়ন। গরম তেলে সামান্য কালো সর্ষে, বিউলির ডাল, ছোলার ডাল, চিনেবাদাম দিয়ে হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। এর পর যোগ করুন কাজুবাদাম। তার পর শুকনো লঙ্কা। সমস্ত উপকরণ ভাল করে নাড়িয়ে চাড়িয়ে ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি সজনেপাতার ভাত। এবার মাংস কষার সঙ্গে পরিবেশন করুন। উপর থেকে লেবুর রসও ছড়িয়ে দিতে পারেন।