নিজস্ব প্রতিনিধি : সম্পূর্ণ খাটি না হলেও পুরোনো দিনের বেশ কিছু রান্না আছে যা ঠাকুমা-দিদিমার রান্নাঘর থেকে উঠেছে এসেছে। সেই রান্নার সঙ্গে নতুন উপকরণ মিশলেও পুরোনো স্বাদে কোনও ঘাটতি হয়না। আজ তেমনই একটি রান্নার খোঁজ মিলবে। যাদের পটল একেবারেই ভালো লাগেনা তাঁদের জন্য এই পদটি অনবদ্য। একবার ট্রাই করে দেখা যেতেই পারে। সেটি হল চালপটল।
উপকরণ- পরিমাণ মতো গোবিন্দভোগ চাল, ৪ টে পটল ডুমো করে কাটা। ৪ টুকরো আলু ডুমো করে কাটা। পরিমান মত কাজু কিশমিশ, গোটা কাঁচালঙ্কা ৩-৪টে, ২ চামচ ঘি, স্বাদ অনুযায়ী নুন ও চিনি। ফোরণের জন্য গোটা গরম মসলা আর তেজপাতা দিতে হবে। ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ২ চামচ আদা জিরে বাটা। ১ কাপ দুধ, ১ কাপ জল, পরিমাণ মতো তেল।
পদ্ধতি- প্রথমে গোবিন্দভোগ চালটা ভালো করে শুকনো খোলায় ভেজে ঠান্ডা করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখতে হবে। পটল আর আলু ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার কড়াইতে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে কাজু কিশমিশ ভেজে তুলে রাখতে হবে। এরপর ওই তেলের মধ্যেই একটু ঘি দিতে হবে। তারমধ্যে দিতে হবে গোটা গরম মশলা আর তেজপাতা ফোড়ন। এবার আলু আর পটলটা দিয়ে দিয়ে খুব ভালো করে ভেজে নিতে হবে। ভাজার সময় হলুদ গুঁড়ো দিতে হবে।
পটল আর আলুটা যখন লাল করে ভাজা হয়ে যাবে তখন গোবিন্দভোগ চালটা দিয়ে দিতে হবে। চালটা দেয়ার পর আলু,পটল আর চাল বেশ খানিকক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। এরপর দিয়ে দিতে হবে আদা-জিরে বাটা। মশলাটা ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। এই সময় ভেজে রাখা কাজু কিশমিশ আর কাঁচা লঙ্কা দিয়ে দিতে হবে। এরপর দিতে এক কাপ জল আর এক কাপ দুধ। দিতে হবে। ভালো করে নেড়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। তারপর ঢাকা দিয়ে গ্যাসের আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। ১০-১২ মিনিট পর পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে ভালো করে একটু নাড়াচাড়া করতে হবে। তারপর ঘি আর গরম মশলা ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। এরপরেই তৈরি চালপটল।