নিজস্ব প্রতিনিধি : সুস্থ থাকতে, শরীরে ভিটামিনের পরিমাণ সঠিক পরিমাণে রাখতে সবুজ শাক সব্জি খাওয়ার ওপরে নজর দিতে বলেন চিকিৎসকরা। গরম পড়ার পর থেকে বর্ষা পর্যন্ত পটল, ঝিঙের সঙ্গে আরও একটি সব্জি পাওয়া যায়। সেটি হল কাঁকরোল। ভাজা থেকে শুরু করে পোস্ত, তরকারি অনেকে খেয়ে থাকেন। পুরানো রেসিপির বদলে রবিবার ছুটির দিনে বানিয়ে নিতে পারেন নিরামিষ আচারি কাঁকরোল। এটি বানাতে কী কী লাগবে জেনে নিন-
উপকরণ- কাঁকরোল ১০টা, ১টা বড় সাইজের আলু , ২ ইঞ্চি আদা , ২টো কাঁচালঙ্কা, আচারি মশলা বানাতে নিন ১চামচ আস্ত জিরে, ১চামচ আস্ত ধনে, ১চামচ আস্ত মৌরি, ১চামচ কালো সরষে, ১টা শুকনো আস্ত লঙ্কা, আধা চামচ মেথি দানা, আধা চামচ আস্ত জোয়ান, স্বাদ মতোন নুন, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, ১চামচ হিং, ১চামচ আমচুর পাউডার, কালো জিরে, সরষের তেল।
পদ্ধতি – কাঁকরোলের বাইরের অংশ ভালো করে চেঁচে নিতে হবে। এবার পাতলা পাতলা গোল করে কেটে নিতে হবে।কাঁকরোলের সঙ্গে কাঁচা আলুও গোল করে কেটে অর্ধেক করতে হবে। এবার শুকনো কড়াইতে সেঁকে নিতে হবে আস্তজিরে, আস্তধনে, আস্তমৌরি, কালোসরষে, শুকনো আস্ত লঙ্কা, সামান্য মেথি দানা, আস্ত জোয়ান, সুন্দর গন্ধ বের হলে আঁচটা বন্ধ করুন ও ঠান্ডা করে গুঁড়ো করুন। এইভাবে আচারি মশলা তৈরি হয়ে যাবে।
এবার একটি পাত্রে, কাটা আলু ও কাঁকরোল দিয়ে, সেই সঙ্গে স্বাদ মতো নুন, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, হিং, আমচুর পাউডার, ৬চামচ তৈরি করা সেঁকা মশলা, বীট লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার কড়াইতে সরষের তেল গরম করে, কালো জিরে ফোড়ন দিতে হবে। কুচানো আদা ও লঙ্কা দিয়ে নাড়তে হবে। এবার তার সঙ্গে মশলা মাখানো আলু ও কাঁকরোল দিয়ে ভাজতে হবে। ২ মিনিট করে ভেজে নিয়ে কম আঁচে ঢাকা দিতে হবে। সব্জি সিদ্ধ হয়ে শুকনো হয়ে এলে নামিয়ে নিন।