Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাজ্য সরকারি কর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের টাকা দ্রুত পাইয়ে দিতে উদ্যোগী নবান্ন

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের বিল পেশের পরেও টাকা পেতে জটিলতা কাটাতে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের(West Bengal State Government Employees) স্বাস্থ্য প্রকল্পের বিল(Health Scheme Bill) পেশের পরেও টাকা পেতে বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। সরকারি কর্মচারীরা প্রচুর টাকা খরচ করে চিকিৎসার পর সমস্যায় পড়ছিলেন অনেকেই। সেই সব সমস্যার কথা কানে গিয়েছিল রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরে। সেই সমস্যা দূরীকরণে বিশেষ ব্যবস্থা নিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল সেলে(Medical Cell) ১জন চিকিৎসককে রাখা হবে। মূলত, রাজ্য সরকারের চাকরি থেকে অবসর নেওয়া একজনকে চুক্তির ভিত্তিতে ওই পদে রাখা হবে। ১ বছরের চুক্তির ভিত্তিতে তাঁকে নিয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সেলে একজন চিকিৎসক থাকলে বিল মেটানোর কাজে অনেকটাই গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।     

রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য যে স্বাস্থ্য প্রকল্প রয়েছে সেখানে এতদিন মেডিকেল সেলে কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। ওই কমিটিতে এখন স্বাস্থ্য দফতরের ১জন মেডিকেল অফিসার আছেন। এবার সেই কাজের জন্য অর্থ দফতর সরাসরি চিকিৎসক রাখার বন্দোবস্ত করছে। তাতে, রাজ্যের সরকারি কর্মীদের চিকিৎসা খরচের বিল জমা পড়ার পর তাতে কোনও জটিলতা থাকলে সেই সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মী ও পেনশন প্রাপকরা রাজ্যে সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন। সপরিবারে তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পান। এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যে ও রাজ্যের বাইরে তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক করানোর সুযোগ পান তাঁরা। স্বাস্থ্য প্রকল্পের অধীনে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘ক্যাশলেস’ পরিষেবা(Cashless Treatment Facility) পাওয়ার সুযোগ মেলে।

২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ হলে হাসপাতালে ওই কর্মীকে কোনও বিল মেটাতে হয় না। ২ লক্ষ টাকার বেশি বিল হলে সেটা প্রকল্পের সুবিধাভোগীকে মিটিয়ে দিতে হয়। এরপর সেই বিল জমা করতে হয় সরকারের কাছে। তবে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের দাবি, বিল জমা দেওয়ার পরেও টাকা পেতে অনেক সময় দেরি হচ্ছে। সেই জমা করা বিল প্রথমে যায় যায় সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিবালয়ে। এরপর সচিবালয় অনেকসময় বিলের ফাইল পর্যালোচনার জন্য অর্থ দফতরের মেডিকেল সেলে পাঠায়। মেডিকেল সেল বিলগুলি এতদিন বিশদ পরীক্ষার জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে(Health Department) পাঠাত। তবে, স্বাস্থ্য প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল সেলে চিকিৎসক থাকলে এবার সেই কাজ দ্রুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00