নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ আরজি কর মামলার(RG Kar Case) সপ্তম শুনানি। এর আগে গত মঙ্গলবার বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে আরজি কর কাণ্ডের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার শেষ মুহূর্তে এই মামলা শোনা হয়নি। এরপর বুধবার দিন মামলার শুনানির ঘোষণা করা হলেও তা কার্যক্ষেত্রে সম্ভব হয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি শুরু হয় দুপুর আড়াইটের পর। আজ কোন কোন বিষয়গুলি আদালতের নজরে থাকবে তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল যথেষ্ট কৌতূহল।
আরও পড়ুনঃ জমা পড়ল পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার নথি, সিবিআইয়ের নজরে দুই পুরসভা
এদিন আরজি কর কাণ্ডে দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। এই দু’টিরই তদন্ত করছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো বৃহস্পতিবার দিনই জাতীয় টাস্ক ফোর্সের অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। আরজি করের ঘটনার পর চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ১১ সদস্যের জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। আর তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে।
এছাড়া হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগকে ‘রাজনৈতিক স্বজনপোষণের সুন্দর পন্থা’ আখ্যা দিয়ে ছ’টি প্রশ্ন তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সেই প্রশ্নগুলির জবাব বৃহস্পতিবার হলফনামা আকারে দিতে হত রাজ্যকে। সেই কাজও এগিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ খাস কলকাতায় রাতের আঁধারে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে লরি নিয়ে চম্পট ৫ দুষ্কৃতী
রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবাল জানান, দ্রুত যাতে তদন্ত শেষ হয়, তা নিশ্চিত করা হোক। চার্জ গঠন হয়েছে। রাজ্য চায়, আসল দোষীরা যাতে শাস্তি পায়। অবশেষে অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দিল ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স। ওই রিপোর্ট সব রাজ্যের মুখ্য সচিবকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। মুখ্যসচিবেরা ওই রিপোর্ট দেখে কোনও পরামর্শ থাকলে দিতে পারবেন। যদিও মূল মামলা তিলোত্তমা কাণ্ড নিয়ে এখনও কোনও ইস্যু কোর্টে ওঠেনি। এদিকে জুনিয়র ডাক্তারদের জাতীয় টাস্ক ফোর্সে রাখা হোক এহেন দাবি তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী। শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটাই এখন দেখার বিষয়।