নিজস্ব প্রতিনিধি: তিলোত্তমা কাণ্ডের(Tilottoma Issue) রেশ ধরেই বেরিয়ে এসেছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের(RG Kar Incident) একাধিক দুর্নীতির খবর। দেহ পাচার ব্যবসা সহ বিনামূল্যের ওষুধ পাচার দুর্নীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন সন্দীপ ঘোষ(Sandip Ghosh) তা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। এরইমধ্যে আরও এক দুর্নীতিতে শীলমোহর পড়ল খোদ স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে।
আরও পড়ুনঃ শাড়ির ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সুগভীর নাভি, নয়া ফটোশুটে লাস্যময়ী মনামী
দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসকরা অভিযোগ তুলছিলেন, কয়েকজন চিকিৎসক পড়ুয়ার আচরণে মেডিক্যাল কলেজগুলির পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভয়ে তটস্থ থাকছেন পড়ুয়ারা। বেআইনি ভাবে টাকা চাওয়া হচ্ছে। টাকা না দিতে পারলে হুমকির পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের। এই থ্রেট সিন্ডিকেটের অন্যতম মুখ হিসেবে উঠে এসেছে দুই চিকিৎসক অভীক দে ও বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের নাম। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কমিটি গঠন করেছিল স্বাস্থ্য ভবন। সম্প্রতি সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের নামে একধিক অভিযোগে শীলমোহর দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।
বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ গুলিতে একাধিক পড়ুয়ার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছে বিরূপাক্ষ, সেই প্রমাণ ধরা পড়েছে হাতেনাতে। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির নামে মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী দীন মহম্মদের কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়া সাগর দত্ত কলেজ, তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ, রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর নামে। পুলিশের খাতায় বিরুপাক্ষের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত চারটি এফআইআর দায়ের হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দলীয় কার্যালয়ের সামনেই গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের যুব নেতা, চাঞ্চল্য শিবপুরে
অভিযুক্ত থ্রেট সিন্ডিকেটের পাণ্ডা বিরূপাক্ষ বিশ্বাস বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার। কেন তিনি ৯ তারিখ আরজি করে গিয়েছিলেন, ঘটনাস্থলে তিনি কি করছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেদিনের ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত স্বাস্থ্য ভবনের তরফে সিনিয়র রেসিডেন্ট পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বিরূপাক্ষকে।