নিজস্ব প্রতিনিধি : বড়বাজার এলাকার মেছুয়াবাজারের হোটেলে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করা হয়েছে। ডিসি সেন্ট্রালের নেতৃত্বে ১১জনের একটি দল এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহরে হাজির না থাকলেও দিঘা থেকে ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন। সঠিক তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন। পাশাপাশি জানিয়েছেন, ওই হোটেলে দাহ্য পদার্থ মজুত করা ছিল। সেই কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
ভয়াবহ দুর্ঘটানায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন তিনি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মেছুয়া বাজার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমবন্ধ মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। গুরুতর অবস্থায় হোটেল থেকে ২২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ৮ ঘন্টার চেষ্টায় অবশেষে নিয়ন্ত্রণে এসেছে আগুন।হোটেলে ঢোকা বেরোনোর জন্য একটাই রাস্তা। এরফলে অনেকেই আগুনে আটকে পড়েন। কোনো ভাবেই বেরোনোর রাস্তা পাননি তাঁরা। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। অনেকেই হোটেলের ঘরেই আটকে পড়েন।
সূত্রের খবর, এই হোটেলে রাজ্যের ও ভিনরাজ্যের বাসিন্দারা থাকতেন। সম্ভবত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকঠাক না থাকায় ও ইমার্জেন্সি এগজিটের সুবন্দোবস্ত না থাকায় অনেকেই বেঁচে বের হতে পারেননি। আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচতে কয়েকজন হোটেলের ছাদে আশ্রয় নেন। ছাদে আটকে পড়াদের ল্যাডারে করে পাশের বাড়ির ছাদে নামানো হয়। দমকলের মই করে নিচে নামিয়ে আনা হয় আবাসিকদের কয়েকজনকে।