নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম : চিকিৎসার গাফিলতির জেরে সদ্যজাতের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে। দায়ের হয়েছে অভিযোগ। অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।
সূত্রের খবর, ঝাড়গ্রামের জামবনী থানার গিধনি এলাকার বাসিন্দা নীলাঞ্জনা সেতুয়া। প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে আসার পর থেকে দীর্ঘক্ষণ প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করেছেন ওই প্রসূতি। কিন্তু যন্ত্রণায় ছটফট করলেও হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা সেই যন্ত্রণায় কোনো গুরুত্ব দেননি। যন্ত্রণার মধ্যেই অনেকক্ষণ ছিলেন প্রসূতি। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো সত্ত্বেও কানে নেয়নি বলে অভিযোগ। বেলা করে লেবাররুমে নিয়ে যাওয়ার পরে সন্তান প্রসবের পর শিশুটি মারা যায় বলে জানা গিয়েছে।
প্রসূতির পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসক তাঁদের সঙ্গে দেখা না কেরই চলে গিয়েছেন। পেটে বাচ্চাটি বেশ কিছুক্ষণ আগেও সুস্থ ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তারপরেই কী করে শিশুটির মৃত্যু হল, প্রশ্ন তুলেছে পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের গাফলতির জেরেই ওই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের লোকজন ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের সুপার ও ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও করা যায়নি। হাসপাতালেও ছিলেন না তিনি। পাশাপাশি প্রসূতির চেকআপ সংক্রান্ত তথ্যও পরিবারকে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। নবজাতক শিশুর মৃত্যুর পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পরিবার। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা।