নিজস্ব প্রতিনিধি : কয়েকদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে নিট ইউজির ফল। কাউন্সিলিং-র মাধ্যমে ঠিক হবে বাছাই করা হবে হবু চিকিৎসকদের। কিন্তু সেই ভবিষ্যতের ডাক্তারদের নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। চলতি বছরে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৩১ জন। এরা কতটা যোগ্য ভবিষ্যতের চিকিৎসক হিসেবে? মেধার মাধ্যমেই কী তাঁরা সফল হয়েছে? উঠছে প্রশ্ন। দেশের প্রায় ৩৫০ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের ব্যবসা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় সরকারের কৌশল নয়তো?
জানা গিয়েছে, কত নম্বর পেয়েছেন নিট ইউজির পড়ুয়ারা, বিষয়টি সামনে আসার পরেই প্রশ্নগুলো উঠতে শুরু করেছে। সাধারণত স্কুল বোর্ডের পরীক্ষাতেই পাশ করার জন্য ৩০-৩৫ শতাংশ নম্বর পেতেই হয়। সেখানে নিট ইউজির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম নেই। তবে অসংরক্ষিত শ্রেণির পড়ুয়াদের ৫০ পার্সেন্টাইল, সংরক্ষিতদের ৪০ পার্সেন্টাইল পেতেই হয়। কিন্তু দেখা গিয়েছে, চলতি বছরে অর্ধেকই মাত্র ১৫-৩৪ শতাংশের মধ্যে নম্বর পেয়েও পাশ হয়ে গিয়েছেন। প্রায় ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে বিষয়টি লক্ষ করা গিয়েছে।
নিটের আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বিষয়টি সামনে এনেছে। অসংরক্ষিত শ্রেণিতে কাট অফ মার্কস ছিল ১৪৪। ১৪৪ থেকে ২০০ নম্বর পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৩ হাজার ৪০ জন। ২০১ থেকে ২৫০ নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন প্রায় ২ লক্ষ পরীক্ষার্থী। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে এসসি, এসটি, ওবিসি, বিশেষভাবে সক্ষম সহ সংরক্ষিত শ্রেণির জন্য কাট অফ মার্কস একেক জায়গায় একেক রকম। মাত্র ১৫-২০ শতাংশ পেয়েও পাশ করেছেন প্রায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৮০ জন।
জানা গিয়েছে, এমবিবিএস আসন সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সম্ভবত এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কোয়ালিফায়েডের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। মেধা যাচাইয়ে পার্সেন্টাইল নয়, পার্সেন্টেজ ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন অনেকেই।