নিজস্ব প্রতিনিধি : জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়াটা মোটেও সহজ নয়। এর জন্য মনে স্থিতি আনা প্রয়োজন। অনেকে আবেগে,অনেকে বিবেক দিয়ে বেছে নেন জীবনসঙ্গী। তবে মনের মত সঙ্গী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।মনের মত না হলে বা মানিয়ে নিতে না পারলে সুখী সম্পর্কেও আগুন লাগে। বাংলায় একটা কথা প্রচলিত আছে তা হল ‘সাক্ষাৎ লক্ষ্মী-নারায়ণ’ জুটি। আজ হল লক্ষ্মীবার। এইদিনে জানুন মা লক্ষ্মীর অজানা ইতিহাস। একসময় মা লক্ষ্মী ভগবান বিষ্ণুকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিল। জানেন কী নারায়ণকে কেন মনে ধরেছিল দেবী লক্ষ্মীর ? তবে জানুন নারায়ণের কোন গুণ থেকে আকৃষ্ট হয়েছিল মা লক্ষ্মী।
রাগ নিয়ন্ত্রণ করা : ভগবান বিষ্ণুকে বলা হয় জগতের প্রতিপালক। তবে বহুবার ধৈর্য্যের পরিক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন নারায়ণ।তিনি সবেচেয়ে বেশি শান্ত এবং রাগ নিজের বশে রাখতে পারতেন।এই প্রমাণ মিলেছিল যখন ঋষি ভৃগু তাঁর বুকে লাথি পর্যন্ত মেরেছিল তখন তিনি চুপ ছিলেন। এমনকী এরপরেও ঋষির পা নিজের উরুতে রেখে হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন।নারায়নের এমন গুণেই ভালবেসে ফেলেছিলেন দেবী লক্ষ্মী।
ভালবাসা ও ত্যাগের প্রতীক : দেবী লক্ষ্মীকে নারায়ণ খুব ভালবাসতেন তা সকলেরই জানা। সমগ্র জগতকে বাঁচাতে তিনি ছুটে আসতেন। ভালবাসার একটি দিক হল ত্যাগ সহ্য করা। বিরহ যন্ত্রণা বুকে গেঁথে কাউকে বুঝতে না দেওয়া।নারায়ণের এমন গুণেও মোহিত হয়েছিলেন দেবী লক্ষ্মী।
আরও পড়ুন : সাক্ষাৎ মা লক্ষ্মীর রূপ, আপনার পায়ে এই চিহ্নগুলো আছে কিনা নিজেই দেখে নিন
অপর মতামতকে সম্মান করা : নারায়ণ শুধু নিজের মতামত নয় অন্যের মতামতকে সম্মান জানায়। সকলের কথা শোনেন।ধৈর্য্যে আর সহনশীলতার জন্যই নারায়ণকে ভালবেসে ফেলেছিলেন দেবী লক্ষ্মী।
আরও পড়ুন : ভিক্ষা নিয়েছিলেন স্বয়ং মহাদেবও, জানেন কী অন্নদা দেবীর কাহিনী
কাজ এবং কথায় সৎ : নারায়ণ ছিলেন খুব সৎ। তিনি যদি কাউকে কথা দিতেন সেইকথা অবশ্যই রাখতেন। এমনকী সবসময় কাজে সৎ নারায়ণ। সকলেই এমন সঙ্গী চায় যার কাঁধে মাথা রেখে বিশ্বাস করা যায়।
আরও পড়ুন : যুগ যুগ ধরে প্রতিবেশি এই রাজ্যেই লুকনো আছে কর্ণের কবচ-কুণ্ডল