নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়িতে দেব-দেবীর আশীর্বাদ থাকুক তা চান সকলেই। সেই জন্য পুজো অর্চনাও করেন। অনেক সময় বহু পুজো করেও সঠিক ফল পাওয়া যায় না। তাই যদি পুজোর পূর্ণ ফল পেতে হয়, তাহলে ঠাকুর ঘরের বাস্তু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। ভুল পথে করা প্রার্থনা থেকে সুফল পাওয়ার পরিবর্তে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
বাস্তু অনুসারে, আপনার ঠাকুরঘরটি এমন হওয়া উচিৎ যাতে সেখানে প্রচুর পরিমাণে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চারিত হতে পারে। বাস্তুতে প্রতিটি দেবতার একটি নির্দিষ্ট দিকের উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিটি দিকের নিজস্ব দেবতা রয়েছে যিনি সেই দিকটিকে প্রতিনিধিত্ব করেন। যেমন হনুমানজির দক্ষিণ দিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও কুবেরের উত্তর দিকে এবং সমগ্র শিব পরিবার এবং রাধা-কৃষ্ণের উত্তর-পূর্ব দিকে পুজো করা ভাল।
শ্রী রাম দরবার, ভগবান বিষ্ণু ও সূর্যের পূর্ব দিকে পুজো করলে পরিবারে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়। পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে বিদ্যা দানকারী দেবী সরস্বতীর পুজো করলে জ্ঞান বৃদ্ধি হয়। বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে প্রত্যেক বাড়িতে বাস্তু পুরুষের অস্তিত্ব আছে। যাঁর মাথা থাকে উত্তর-পূর্ব দিকে। গৃহস্থ সংসারে ইতিবাচক পরিবেশ-আবহ বজায় রাখার জন্য বাড়ির বাস্তু পুরুষের মাথা সঠিক তথা ইতিবাচক দিকে থাকা ভীষণ জরুরি।
ঠাকুরঘর কেমন রাখবেন
সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালাতে হবে এবং পুজোর স্থানে একটি শঙ্খ রাখতে হবে। এতে নেতিবাচক শক্তি দূর হবে ও পরিবারে সুখ-সম্প্রীতির পরিবেশ বিরাজ করবে। পুজোর ঘরে কখনওই শুকনো ফুল রাখবেন না, এটিকে বাস্তুতে শুভ বলে মনে করা হয় না। পুজোর ঘরে হালকা সবুজ, হলুদ, বেগুনি বা ক্রিম যে কোনও ধরনের সাত্ত্বিক রঙ ব্যবহার করলে মনে শান্তি আসে।