নিজস্ব প্রতিনিধি, কটক: ভয়াবহ ঘটনা ওড়িশার গোপালপুরে। বেড়াতে গিয়ে নৃশংসতার শিকার হলেন এক যুগল। গোপালপুরের সমুদ্র সৈকতে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। তরুণীর সঙ্গে থাকা পুরুষ বন্ধুকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণী ওড়িশার গঞ্জাম জেলার বাসিন্দা। স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতেন তিনি। রবিবার রাজা উৎসবে যোগদানের জন্য তিনি এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে গোপালপুরে গিয়েছিলেন। মূল অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর তরুণ-তরুণী যান সৈকতের নির্জনতা উপভোগ করতে। অভিযোগ, আচমকা একদন অজ্ঞাত পরিচয় যুবক তাঁদের ধাওয়া করে। তরুণীরা চেষ্টা করতেও বাঁচতে পারেননি। প্রায় দশ জন মিলে বছর কুড়ির ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করে। তরুণীর বন্ধু তাদের আটকানোর চেষ্টা করলে তাঁকেও মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলা রাখা হয়।
নক্কারজনক এই ঘটনার পর এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই তথ্য দিয়েছেন বেরহামপুরের পুলিশ সুপার (SP) বিবেক সারাভানা। তরুণ-তরুণীর অভিযোগ পেয়ে সাতজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি তিনজন পলাতক। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, অভিযুক্তরা স্থানীয় নয়, তারাও পর্যটক। পলাতক অভিযুক্তদের ধরতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ দল।
নির্যাতিতা ও তাঁর বন্ধুকে MKCG মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়েছে। নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলে খবর। এই ঘটনায় পর্যটকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্ক। গোপালপুর সি বিচ পর্যটকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই ঘটনা যেন মনে করিয়ে দিয়েছে তপন সিংহ পরিচালিত আদালত ও একটি মেয়ে সিনেমাকে। সেখানেও এক শিক্ষিকা অন্য শিক্ষিকা বন্ধুদের সঙ্গে গোপালপুরে গিয়ে সমুদ্র স্নানের সময় গণধর্ষিতা হন।