নিজস্ব প্রতিনিধি : কসবাকাণ্ডে বিচারপতি সৌমেন সেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবীরা। কলকাতা হাইকোর্টের তিনটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার কলেজ গুলো নিরাপত্তা কি অবস্থায় রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হোক, কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হোক সেই দাবি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চ জানি দিয়েছে, এই বিষয় নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তা নেই। সকল মামলা দায়ের করে বিপরীত পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হোক। আগামী বৃহস্পতিবারপ এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
কসবা ল কলেজের ভিতরে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলাকাত হাইকোর্টে। এমনিতেই এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। ৯ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার অন্যান্য কলেজের নিরাপত্তার বিষয় নিয়েও জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের জেরায় ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছে কসবাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র। জেরায় সে জানিয়েছে, তার ক্ষমতা সম্পর্কে সকলের ধারণা ছিল। নির্যাতিতাও তার ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। কিন্তু অভিযোগ জানানোর সাহস করবে তা ভাবতেও পারেনি গণধর্ষণ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত। নিজের মুখেই সে স্বীকার করেছে এর আগেও একই ধরনের ঘটনা সেই ঘটিয়েছে।কসবাকাণ্ডে অভিযুক্তদের ও নির্যাতিতার ডিএনএ নিয়ে পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ধৃতদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঘটনার দিন কারা কার কলেজে উপস্থিত ছিলেন তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে ওই দিন যাঁদের দেখা গিয়েছে, যাঁরা হাজির ছিলেন, সকলকে আলাদা আলাদা করে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।