নিজস্ব প্রতিনিধি : ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলায় তলব করা হয়েছিল কার্তিক মহারাজকে। কিন্তু হাজিরা দেওয়ার আগেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিতর্কিত পদ্মশ্রী প্রাপক কার্তিক মহারাজ। মঙ্গলবারই তাঁর থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। নবগ্রাম থআনার পক্ষ থেকে চিঠিও গিয়েছিল। কিন্তু হাজিরা আগেই হাইকোর্টে গিয়েছেন তিনি। এফআইআর বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে। তাঁর অভিযোগ, মিথ্যে মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে। এটা সাধু সন্ন্যাসীদের ওপর আক্রমণ। এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বুধবারই এই মামলার শুনানি রয়েছে।
জানা গিয়েছে, এক স্কুলে চাকরি দিয়ে মহিলার অসহায়তার সুযোগ নিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ। তাঁকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণী বহরমপুরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২০১২ সালে মহিলাকে একটি স্কুলে চাকরি দেন তিনি। স্কুলেরই আবাসনের ৫ তলায় থাকতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে কার্তিক মহারাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। এরপরেই মহিলা অন্তস্বত্তা হয়ে পড়েন। প্রায় ৬-৭ মাস মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কার্তিক মহারাজের। তারপর মহিলাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার গর্ভপাতও করানো হয় বলেও অভিযোগ। বলা হয়, ঘটনার পর মাসে মাসে বেতন পৌঁছে যাবে বাড়িতে। এরপরেই প্রায় ১২ বছর পর বেলডাঙ্গা থানায় কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানী এবং ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।
সেই তদন্তের ক্ষেত্রেই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হাজিরা আগেই আদালতে পৌঁছে গিয়েছেন ধর্ষণ ও গর্ভপাত মামলায় অভিযুক্ত কার্তিক মহারাজ।