নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ : আদালতে চলা মামলা প্রত্যাহার করে নিতে চাইনি একটি পরিবার। ফল স্বরূপ সেই পরিবারের মেয়েকে অপহৃত হতে হল অভিযুক্তের দ্বারা। ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছিল এক ব্যক্তি। কিশোরীর পরিবারের দাবি অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা চলছিল আদালতে। বহু চাপের মুখে পড়েও সেই মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। সেই জন্য মেয়েকেই অপহরণ করা হল। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের।
মঙ্গলবার মেয়েটির বাবা একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ অনুসারে, অভিযুক্তের নাম রবিশঙ্কর মিশ্র। সে এবং তার বাবা দুজনেই কিশোরীর গ্রামের বাসিন্দা। ধর্ষণ মামলার বিষয়টিতে আপোষে পৌঁছানোর জন্য তারা পরিবারকে চাপ দিচ্ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, মেয়েটির পরিবার মীমাংসা করতে অস্বীকৃত হয়। মেয়েটির বাবার দাবি তারপরেই কিশোরী কন্যাকে অপহরণ করা হয়। মেয়েটির বাবা আরও বলেছেন যে তিনি আশঙ্কা করছেন যে তার মেয়েকে খুন করা হতে পারে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে, রবিশঙ্কর মিশ্র এবং তার বাবার বিরুদ্ধে গোপীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটি এবং অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। একটি নতুন অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রাথমিক মামলার বিবরণ দিতে গিয়ে, গোপীগঞ্জের স্টেশন হাউজ অফিসার শৈলেশ কুমার রাই বলেন যে, ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর রবিশঙ্কর মিশ্র মেয়েটির স্কুলে গিয়ে জানায় বাড়িতে তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়েটিও অভিযুক্তকে বিশ্বাস করে যায়। অভিযোগ, এরপর রবিশঙ্কর জলের বোতলে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কিশোরীকে অজ্ঞান করে। মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে এবং অজ্ঞান অবস্থায় স্কুলের কাছে ফেলে রেখে চলে যায় বলে অভিযোগ।
এরপর ২৮ ডিসেম্বর মেয়েটির বাবা থানায় রবিশঙ্কর মিশ্রের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে মিশ্রকে গ্রেফতার করে। ওই মামলার এখন আদালতে শুনানি চলছে। রবিশঙ্কর মিশ্র এই বছরের জুন মাস থেকে জামিনে রয়েছে।