Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শতাধিক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণের দায়ে ফাঁসির সাজা পাওয়া আজহারকে মুক্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বৃহত্তর রংপুরে শতাধিক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ এবং ১,২৫৬ জনকে খুনের অপরাধে ফাঁসির সাজা পাওয়া রাজাকার বাহিনীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। আজ মঙ্গলবার (২৭ মে) ‘রাজাকার’ পুত্র প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল ঘোষণা করে অবিলম্বে মুক্তিযুদ্ধের কসাইকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে। বাংলাদেশে মোল্লা ইউনূসের নেতৃত্বে রাজাকার সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেই এই রায় এল। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ মামলায় এই প্রথম ফাঁসির সাজা পাওয়া কোনও আসামীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হল। ‘এই মুহুর্তে’ অনলাইন গতকাল সোমবারই জানিয়েছিল, মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে গণহত্যাকারী-ধর্ষক  আজহারুলকে।

কী অভিযোগ কসাই আজহারুলের বিরুদ্ধে?

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রংপুর অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দুদের কাছে মূর্তিমান ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন জামায়াত ইসলামী নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজাকার বাহিনী গঠন করে হিন্দু মেয়েদের বাড়ি থেকে তুলে এনে পাক সেনাদের দ্বারা ধর্ষণ করাতেন। নিজেও শতাধিক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দু হওয়ার অপরাধে  ১,২৫৬ জনকে নৃশংসভাবে খুন করেছিলেন। এছাড়াও ১৭ জনকে অপহরণ, হাজার-হাজার বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি লুটতরাজও চালিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা জমানায় মানবতাবিরোধী অভিযোগ এনে কুখ্যাত গণহত্যাকারী ও ধর্ষকের বিচার শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারুলকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়।

ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাংলাদেশের কসাই। দীর্ঘদিন ধরে শুনানি চলার পরে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ। ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই ফের আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘রাজাকার’ পুত্র হিসাবে পরিচিত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ নজিরবিহীনভাবে সেই আর্জি গ্রহণ করে। মানবতাবিরোধী অপরাধে এটাই প্রথম কোনও মামলা যে মামলায় রিভিউ থেকে মূল আপিল শুনানির অনুমতি দিলেন আদালত। গত ৮ মে শুনানি শেষের পরে রায় স্থগিত রাখে ডিভিশন বেঞ্চ।

এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল মামলায় কী রায় দেওয়া হবে তা নিয়ে গত রবিবার (২৫ মে) প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওই বৈঠকেই জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়ার নির্দেশ দেন পাক গণহত্যাকারীদের দোসর ইউনূস। সরকারের শীর্ষ নেতার ওই নির্দেশ বেঞ্চের বাকি ছয় সদস্য বিচারপতিকে জানিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে গণহত্যা সংগঠিত করা আজহারুলের মুক্তির খবরে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন মুক্তিযোদ্ধারা। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, ‘এর জন্যই কী জীবন বাজি রেখে ৯ মাস যুদ্ধ করেছিলাম? পরিবার-পরিজনকে হারিয়েছিলাম?’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00