Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

৩৩ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার পুরস্কার, রাজাকার বাহিনীর শীর্ষ নেতার ফাঁসির সাজা বাতিল

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ‘রাজাকার সন্তান’ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গণহত্যায় জড়িত একের পর এক জামায়াত নেতা মুক্তি পাচ্ছেন। জামায়াতের শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের পরে এবার বেকসুর খালাস পেলেন ফাঁসির সাজা পাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুখ্যাত জল্লাদ মোবারক হোসেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীকে যেভাবে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তাতে ক্ষোভে ফুঁসছেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাঁদের প্রশ্ন, কয়েক লক্ষ মানুষের আত্মবলিদান কি তাহলে বৃথা হলো?

৫ অগস্টের পরেই প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ পান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনের অন্যতম পরিকল্পনাকারী সৈয়দ ইশতিয়াক আমেদের ছেলে সৈয়দ রেফাত আমেদ। আর প্রধান বিচারপতির কুর্সিতে আসীন হওয়ার পরেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর দোসর এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের মামলা বাতিল করে তাদের খালাস করে দিতে শুরু করেছেন রাজাকার সন্তান প্রধান বিচারপতি। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোবারক হোসেনের নাম।

একত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় পাক হানাদার বাহিনীর অন্যতম দোসর ছিলেন মোবারক। কুখ্যাত জল্লাদ বাহিনী আল শামসের এরিয়া কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে সাক্ষা‍ৎ যমদূত বা জল্লাদ হিসাবে পরিচিত ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আখাউড়ার টান মান্দাইল গ্রামের ৩৩ জনকে গঙ্গাসাগর দীঘির পাড়ে দাঁড় করিয়ে গুলি করে খুন করেন তিনি। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগী আব্দুল খালেককে অপহরণ করে হত্যাও করেন। শেখ হাসিনা জমানায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধে মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।  ওই রায়ের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন মুক্তিযুদ্ধের জল্লাদ। শেখ হাসিনা জমানার অবসানের পরেই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ওই আর্জির দ্রুত শুনানি করেন। গত ৮ জুলাই শুনানি শেষ হয়। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রায় ঘোষণা করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে। সেই সঙ্গে বকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়। রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন মোবারক হোসেন। সেটা কোনও অপরাধ নয়। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার দায়ে কাউকে সাজা দেওয়া উচিত নয়। দেশ স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা যেমন লড়াই চালিয়েছেন, রাজাকাররাও তেমন দেশভাগ রুখতে লড়াই করেছিলেন। তাদের দেশপ্রেমকে সম্মান জানানো উচিত।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00