মুক্তিযুদ্ধে ১,২৫৬ জনকে খুনে জড়িত ‘কসাই’ আজহারুলকে মুক্তির নির্দেশ ইউনূসের   

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বৃহত্তর রংপুরে পাক গণহত্যাকারীদের দোসর তথা রাজাকার বাহিনীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাসের জন্য প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নির্দেশ দিয়েছেন তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। যদিও একজন কসাইকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ পাওয়ার পরেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার বিচারপতি। জামায়াত নেতার আপিল মামলার শুনানির জন্য গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে থাকা ওই চার বিচারপতি শেষ পর্যন্ত কী অবস্থান নেন, তার উপরেই নির্ভর করছে মামলার রায়। আগামিকাল মঙ্গলবার (২৭ মে) ওই মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।

কী অভিযোগ কসাই আজহারুলের বিরুদ্ধে?

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রংপুর অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দুদের কাছে মূর্তিমান ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন জামায়াত ইসলামী নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজাকার বাহিনী গঠন করে হিন্দু মেয়েদের বাড়ি থেকে তুলে এনে পাক সেনাদের দ্বারা ধর্ষণ করাতেন। নিজেও শতাধিক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দু হওয়ার অপরাধে  ১,২৫৬ জনকে নৃশংসভাবে খুন করেছিলেন। এছাড়াও ১৭ জনকে অপহরণ, হাজার-হাজার বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি লুটতরাজও চালিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা জমানায় মানবতাবিরোধী অভিযোগ এনে কুখ্যাত গণহত্যাকারী ও ধর্ষকের বিচার শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারুলকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়।

ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাংলাদেশের কসাই। দীর্ঘদিন ধরে শুনানি চলার পরে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ। ২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই ফের আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘রাজাকার’ পুত্র হিসাবে পরিচিত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ নজিরবিহীনভাবে সেই আর্জি গ্রহণ করে। মানবতাবিরোধী অপরাধে এটাই প্রথম কোনও মামলা যে মামলায় রিভিউ থেকে মূল আপিল শুনানির অনুমতি দিলেন আদালত। গত ৮ মে শুনানি শেষের পরে রায় স্থগিত রাখে ডিভিশন বেঞ্চ।

সূত্রের খবর, এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল মামলায় কী রায় দেওয়া হবে তা নিয়ে গত রবিবার (২৫ মে) প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওই বৈঠকেই জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়ার নির্দেশ দেন পাক গণহত্যাকারীদের দোসর ইউনূস। সোমবার থেকেই সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের কসাই আজহারুলকে মুক্তি দেওয়া হবে। জামায়াত ইসলামী সমর্থক আইনজীবীরা মিষ্টিও বিলি করেছেন। যদিও রাতে পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে, আজহারুলকে বেকসুর খালাস দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের চার বিচারপতি। তাদের যুক্তি, একজন গণহত্যাকারী ও ধর্ষককে বেকসুর খালাস দিলে মুক্তিযুদ্ধকেই অপমান করা হবে। দেশে মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে একাত্তরের কায়দায় হিন্দু নিধনে ঝাঁপাবে।

ইউনূসের নির্দেশে এবার ঢাকায় পুড়িয়ে দেওয়া হল এরশাদের জাতীয় পার্টির কার্যালয়

জমি লিখে দিতে রাজি না হওয়ায় হিন্দু প্রৌঢ়কে খুঁটিতে বেঁধে নৃশংস মার বিএনপি নেতার

মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিকদের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে জেলে পুরল মোল্লা ইউনূসের সরকার

রাষ্ট্রপুঞ্জে একই দিনে ভাষণ তিন পড়শি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান মোদি-শাহবাজ-ইউনূসের

হাসিনার পতনের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা ইউনূস সরকারের

লন্ডনে পাকিস্তানি দূতাবাস থেকে নামিয়েছিলেন জাতীয় পতাকা, না ফেরার দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা

প্রেস সেন্সরশিপ জারি, হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলেই সংবাদমাধ্যমে তালা ঝোলানোর হুমকি ইউনূসের

বাংলাদেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, অভিযোগ বিএনপি মহাসচিবের

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]