নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: শেখ হাসিনা জমানার অবসানের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের কুর্সিতে আসীন হয়েছে আইএসআই ও মার্কিন মদতপুষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সরকার। আর ক্ষমতা দখলের পরেই বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুছে দেওয়ার নোংরা খেলায় নেমেছে ‘পাকিস্তানপ্রেমী’ মুহাম্মদ ইউনূস অ্যান্ড গ্যাং। যিনি না থাকলে বাংলাদেশের সৃষ্টিই হত না, সেই বঙ্গবন্ধুর ছবি বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি অফিসে আর রাখা যাবে না বলে নির্দেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সঙ্গে ১৫ অগস্টের জাতীয় ছুটিকেও বাতিল করেছে।
মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই ১৫ অগস্টকে জাতীয় শোকদিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সেই সঙ্গে ওই দিনটিকে জাতীয় ছুটি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহে ক্ষমতাচ্যূত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। প্রাণ বাঁচাতে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। আর মুজিব কন্যা ক্ষমতা হারানোর পরেই অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেয় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী শক্তি। ফলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নৃশংস খুনের দিনটিকে আদৌ আর জাতীয় শোকদিবস হিসাবে পালন করা হবে কিনা, তা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিল।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা ‘যমুনা’য় বৈঠকে বসেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। ওই বৈঠকেই ১৫ অগস্টের জাতীয় ছুটি বাতিলের কথা ঘোষণা করেন একসময়ে বঙ্গবন্ধর খুনিদের সাহায্যকারী মুহাম্মদ ইউনূস। আর তার পরেই জনপ্রশাসন মন্ত্রকের তরফে ১৫ অগস্ট ছুটি বাতিলের কথা জানানো হয়।