Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্ত নয়, ইউনূস সরকারকে হুঁশিয়ারি খালেদার দলের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: স্বাধীন বাংলাদেশে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের জমানায় শুরু হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারীদের সরিয়ে রাজাকারদের পুনর্বাসনের কাজ। বিচারবিভাগ, পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ পদ থেকে মুক্তিযুদ্ধপন্থীদের হঠিয়ে বসানো হয়েছে পাকিস্তানি দালালদের। গত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে হঠাতে পাঁয়তারা কষছে ইউনূস গ্যাং। আর এবার রাষ্ট্রপতির পাশে দাঁড়িয়ে সরাসরি ‘রাজাকার’ এবং আমেরিকার পোষ্যভৃত্য মোল্লা ইউনূসকে হুঁশিয়ারি দিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। আজ রবিবার (২৭ আক্টোবর) বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম কোনও রাখঢাক না রেখে বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে কোনও হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া চলবে। সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার নীল নকশা স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে বাস্তবায়িত করতে দেওয়া হবে না।’ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সাহাবুদ্দিনকে হঠিয়ে মোল্লা ইউনূস নিজেই রাষ্ট্রপতি পদে বসার যে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন, তা যে সহজে মেনে নেওয়া হবে না, শিরদাঁড়া টান করে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্ব।’

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে উ‍ৎখাত করার পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে সরানো যে পাকিস্তান ও আমেরিকার পরবর্তী লক্ষ্য, তা গত সেপ্টেম্বর মাসেই প্রথম জানিয়েছিল ‘এই মুহুর্তে’ অনলাইন। গত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতিকে হঠাতে কোমর কষে ঝাঁপিয়েছে ইউনূস ও তার চ্যালাচামুন্ডা তথা হিযবুত তাহরী-হুজির মতো জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। গত সপ্তাহেই বিএনপি শীর্ষ নেতাদের যমুনায় ডেকে রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে সম্মতি আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছিলেন ইউনূস। কিন্তু বিএনপি নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতিকে অসাংবিধানিকভাবে অপসারণ করা যাবে না।

খালেদা জিয়ার দলের এমন অবস্থানে খানিকটা বিপাকে পড়ে ইউনূস ও তার সাগরেদ জঙ্গিরা। বিএনপি নেতাদের হুমকি দিতে গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে হাজির হন পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের দুই চর হাসনাত আবদুল্লাহ ও আখতার হোসেন। রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে রাজি না হলে ভয়াবহ পরিণতির শিকার হতে হবে বলে বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ারি দেন দু্’জনে। কিন্তু সেই হুমকিতে বিএনপি নেতারা বিন্দুমাত্র ঘাবড়াননি। এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা এর আগেও বলেছিলাম, গণ–অভ্যুত্থানের ফসলকে ঘরে তোলার জন্য বাংলাদেশের বিপ্লবকে যদি সংহত করতে হয়, তাহলে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। সেখানে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। এটা সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। তার জন্য বেশি প্রয়োজন অতি দ্রুত নির্বাচনকেন্দ্রিক সংস্কার শেষে নির্বাচন করা।’

বিএনপি’র আর এক শীর্ষ নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদও ইউনূস সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে বলেছেন, ‘নানা ধরনের সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি করার জন্য চেষ্টা চলছে, পাঁয়তারা চলছে। রাষ্ট্রপতির অপসারণও তেমনই এক পাঁয়তারার অঙ্গ। সংবিধানের সঙ্কট যদি হয়, রাষ্ট্রীয় সঙ্কট যদি হয়, রাজনৈতিক সঙ্কট যদি হয়, সেই সঙ্কটের পিছনে কী শক্তি রয়েছে, সেটা আগে আমাদের পর্যালোচনা করতে হবে।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00