নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি : জলপাইগুড়িতে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ৩জনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালতের। বৃহস্পতিবার ৩ জনকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছেন পকসো আদালতের বিচারক রিন্টু শূর।
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালে। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল ৩ জনের বিরুদ্ধে। খুন করে দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে ঢুকিয়ে রাখার অভিযোগ ওঠে। পরে ওই ট্যাঙ্ক থেকে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। এরপরেই ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরে দেহ লোপাটের জন্যই সেপটিক ট্যাঙ্কে সেটি ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা এলাকায়।
সূত্রের খবর, মৃত নাবালিকা রাজগঞ্জের সন্ন্যাসীকাটা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার লালস্কুল পাড়া গ্রামের দশমশ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০২০ সালে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে রাজগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল পরিবার। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছিল রাজগঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে ওই নাবালিকার মায়ের ফোনে একটি অডিও টেপের রেকর্ড হাতে আসে। সেই রেকর্ডের সূত্র ধরেই গ্রেফতার করা হয় ৩ জনকে। তারা হল রহমান আলি (৩০), জামিরুল হক (২৮), তমিরুল হক (৩২) কে। এদের মধ্যে রহমানের বাড়ি রাজগঞ্জে, জামিরুল শৌলমারির বাসিন্দা, তমিরুল ডাঙামারির বাসিন্দা। এই ঘটনার তদন্ত করে ৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বৃহস্পতিবার অবশেষে সাজা ঘোষণা করেছে আদালত। ৩ জনকেই ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালত।