নিজস্ব প্রতিনিধি, গজলডোবা : লোকালয়ে ক্রমাগত বাড়ছে হাতি হানা। তারজেরে প্রায়ই শোনা যায় হাতির আক্রমণে মৃত্যুর খবর। আবার কখনও বাড়িতে হামলার খবর। এবার লোকালয়ে হাতির হামলা রুখতে তৎপর বনদফতর। জলপাইগুড়ির গজলডোবা এলাকায় দুটি ক্যুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। বনদফতরের পক্ষ থেকে এই দল দুটি তৈরি করা হয়েছে।
হাতির গতিবিধির উপর নজর রাখতে গজলডোবা এলাকায় মনিটারিং ক্যাম্প করেছে বনদফতর। হাতি জঙ্গলের বাইরে বের হলেই যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈকুণ্ঠপুরের ডিএফও এম রাজা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ওই এলাকায় প্রায় ৪০টি হাতি রয়েছে। গোটা বিষয়টি কড়া নজরদারি রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি, কীর্তন দেখে বাড়ি ফেরার পথে বুনো হাতির হামলায় মৃত্যু ২ স্কুল পড়ুয়ার। এক সপ্তাহে পর পর ৩জনের মৃত্যু হয়েছে হাতির হামলার। ভোররাতে এক অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিল ৬ জন কিশোর। পথে দুধিয়া গ্রামের বালুচর এলাকায় আচমকা এক বুনো হাতির সামনে পড়ে যায় তারা। কোনো রকমে পালানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা পালাতে পারলেও ২জন পারেনি। হাতির আক্রমণে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুজন। আশেপাশের লোকজন ছুটে এলেও ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বৈকন্ঠপুর জঙ্গল ছেড়ে প্রায় শতাধিক হাতির একটি দল ভুট্টা খাওয়ার লোভে প্রতিদিন হানা দিচ্ছে তিস্তার চড় এলাকায়। ভুট্টা খেয়ে ক্ষেত তছনছ করে চলে যাচ্ছে। কিন্তু এই নিয়ে বনদফতর উদাসীন বলে অভিযোগ। এরপরেই নড়েচড়ে বসেছে বন দফতর।