নিজস্ব প্রতিনিধি : গরমকাল মানেই আম। বৈশাখ মাস পড়তে না পড়তেই বাজারে ছেয়ে যায় নিত্য নতুন প্রজাতি আমে। গন্ধ ও রঙে চারদিক ম ম করে ওঠে। আম মানেই বাঙালির ভালবাসা। বাজার গেলেই থরে থরে সাজানো থাকে আম। অন্য কিছু কেনা হোক বা না হোক থলে ভর্তি করে আম সকলে কিনবেই। বেশি দাম হলেও পরিমাণে কম করে হলেও ব্যাগে ঢুকবে আম।
আম শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক সুগার থাকে। আমের জুস, আইসক্রিম, আমের সন্দেশ, আমপানা, এমনকি রাতের দুধের সঙ্গে আম মেখেও অনেকে খান।
সব জিনিসের যেমন ভাল ও খারাপ গুণ থাকে। তেমন আমেরও কিছু খারাপ জিনিস রয়েছে। ভুল সময়ে আম খেলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এ কারণে আম খাওয়ার আগে কিছু ছোট ছোট বিষয়ও মাথায় রাখা উচিত। কোন দিকে খেয়াল রাখবেন, জানুন-
বাজার থেকে আনার পর বা ফ্রিজ থেকে বের করার সঙ্গে সঙ্গে আম খাওয়া উচিৎ নয়। আম খাওয়ার আগে অন্তত ২ ঘণ্টা জলে আম ভিজিয়ে রাখা উচিৎ। কারণ আমের মধ্যে থাকা থার্মোজেনিক শরীরের ক্ষতি করে। জলে সেটি ধুয়ে ফেললে ক্ষতির পরিমাণ কমে যায়।
আম সকালে বা সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের আগে খাওয়া উচিৎ। সন্ধ্যার পর আম খাওয়া ঠিক নয়। সকালের ব্রেকফাস্ট বা খালি পেটে আম খাওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকারক। ওই সময়ে আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ব্রেকফাস্ট করার বেশ কিছুক্ষণ পরে আম খাওয়া যেতে পারে।
আমপ্রীতি মানুষকে অনেক সময় ভুল সময়ে আম খেতে বাধ্য করে। সেই বিষয়টি মেনে চলতে হবে। অনেকে ভারী খাবার খাওয়ার পর আম খেতে পছন্দ করে। এটি প্রতিদিনের খাবারের পর খাওয়া উচিত নয়। সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে আম খাওয়ার সবথেকে ভালো সময়।
গর্ভাবস্থায় খালি পেটে আম খেলে অম্বলের সমস্যা হতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে হবু মায়েদের। ভুলেও খালি পেটে আম খাওয়া নৈব নৈব চ।