নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর প্রদেশের বেরিলি জেলার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক যুবক বিয়ে করেছিলেন। চোখে কত স্বপ্ন, মনে কত আশা। কিন্তু বিয়ের পর প্রথম রাতটিই যুবকের জীবনে এল দুঃস্বপ্নের মতো। ফুলসজ্জার রাতে স্বামী যখন স্ত্রীর সঙ্গে মধুর আলাপে আগ্রহী তখন স্ত্রী এমন কিছু বলল যা শুনে স্বামীর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল। তড়িঘড়ি থানায় ছুটলেন যুবক, গিয়ে জানালেন সবটা। ঘটনাটি বেরিলির বড়দারি থানা এলাকার।
ওই যুবক পুলিশকে জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর যখন তিনি প্রথমবার স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন তখন স্ত্রী তাঁকে দূরে থাকতে বলে। এমনকি হুমকি দেয় যুবক যদি জোর করে তাহলে সে বিষ খাবে। এরপর যুবক যখন স্ত্রীকে এই ব্যবহারের কারণ জিজ্ঞাসা করেন তখন স্ত্রী জানায় সে অন্য কারও বাগদত্তা। শুধুমাত্র পরিবারের চাপে সে যুবককে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে।
যুবকের অভিযোগ, স্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা যুবককে মানসিকভাবে নির্যাতন করছিলেন। কখনও স্ত্রী নিজে আত্মহত্যার হুমকি দিতো, আবার কখনও যুবকের বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে যাওয়ার মতো ভয় দেখাতো। বিয়ের পর থেকেই যুবকের বাড়িতে অশান্তি চলছে। হার্টের পেশেন্ট মা ছেলের এই ওবস্থা দেখে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যুবকের বক্তব্য তিনি বেশ কয়েকবার এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু স্ত্রী বা তার পরিবারের কাছ থেকে কোনও ইতিবাচক সাড়া আসেনি।
অবশেষে বাধ্য হয়ে বেরিলির ওই যুবক বড়দারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ যুবকের স্ত্রী সহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। এ ব্যাপারে এসপি সিটি মানস পারিক বলেন, “বড়দারি থানায় এমন একটি মামলা এসেছে। একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। তদন্তের পর যা কিছু তথ্য উঠে আসবে তার ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”