নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকাশ্যে এসেছে উত্তরপ্রদেশের এক চাঞ্চল্যকর খবর। গোন্ডায় বসবাসকারী এক মহিলা স্বামীকে হুমকি দিয়েছেন যে তিনি স্বামীকে টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে রেখে দেবেন। ঠিক যেমনটা করেছিল মেরঠের মুসকান রাস্তোগি ও তার প্রেমিক সাহিল শুক্লা। উত্তর প্রদেশের এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে উভয় পক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ এসেছে। পুরো বিষয়টির তদন্ত চলছে। তদন্তের পর যে দোষী প্রমাণিত হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে মহিলার দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে তিনি মূলত ঝাঁসির বাসিন্দা। বর্তমানে থাকেন গোন্ডায়। তাঁর স্বামী ধর্মেন্দ্র কুশওয়াহা জল নিগমে কর্মরত একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার। স্ত্রী মায়া মৌর্য ও তাঁর প্রেমিক নীরজ মৌর্যের বিরুদ্ধে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন ধর্মেন্দ্র কুশওয়াহা।
২০১৬ সালে বাস্তি জেলার বাসিন্দা মায়া মৌর্যের সাথে প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল মায়ার। মেয়ের জন্মের পর তিনি স্ত্রীর নামে তিনটি চার চাকার গাড়ি, একটি জমিও কেনেন। সেই জমিতে বাড়ি তৈরির দায়িত্ব দেন পেশায় কন্ট্রাক্টর নীরজ মৌর্যকে। নীরজ আবার মায়ার আত্মীয়। খাল কেটে কুমীরটা নিজেই আনেন ধর্মেন্দ্র কুশওয়াহা। তার ফল এখন গুনতে হচ্ছে তাঁকে। মায়া ও নীরজের মধ্যে সম্পর্ক গাঢ় হয়। কোভিড-১৯ সময়কালে নীরজের স্ত্রী মারা গিয়েছিলেন। শোক দুজনকে আরও কাছাকাছি আনে।
ধর্মেন্দ্র কুশওয়াহা দাবি করেছেন যে তিনি গত বছর ৭ জুলাই মায়া এবং নীরজকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন। পরে যখন তিনি মায়াকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তাঁর স্ত্রী প্রথমে হুমকি দেন এবং পরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে ২৫শে আগস্ট মায়া নীরজকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে এবং জোর করে তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে ১৫ গ্রামের একটি সোনার চেইন ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। কুশওয়াহা ১ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
‘काटकर ड्रम में भरवा दूंगी’ : प्रेमी के साथ पकड़ी गई पत्नी ने कहा
उत्तर प्रदेश से एक हैरान करने वाली खबर सामने आई है. गोंडा में रहने वाली एक महिला ने अपने पति को धमकी देते हुए मेरठ हत्याकांड की तरह ही उसे भी काटने की धमकी दी है. महिला ने अपने पति से कहा है कि तुम्हे मेरठ कांड तो… pic.twitter.com/HJXop9UrsQ
— NDTV India (@ndtvindia) March 31, 2025
এখন স্ত্রী মায়া মৌর্য স্বামী ধর্মেন্দ্র কুশওয়াহাকে হুমকি দিচ্ছেন যে তিনিও মেরঠের মুসকানের মতো স্বামীকে খুব করে ড্রামে রেখে দেবেন। প্রসঙ্গত, মেরঠের মুসকান রাস্তোগি প্রেমিক সাহিল শুক্লর সঙ্গে মিলে প্রথমে স্বামী সৌরভ রাজপুতকে নির্মমভাবে হত্যা করে, তারপর দেহটি ১৫ টুকরো করে সিমেন্টের ড্রামে রেখে দেয়। খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর, পুলিশ অভিযুক্ত মুসকান এবং তার প্রেমিক সাহিলকে গ্রেফতার করে।