নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ট্যাংরার পর এবার মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া। শুক্রবার বিকেলে বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হলো মা ও মেয়ের মৃতদেহ। খুন নাকি আত্মহত্যা তা এখন স্পষ্ট নয় । এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ । সেইসঙ্গে নিহত মহিলার স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে ।
জানা গিয়েছে, নিহত মহিলা ৩৫ বছরের মধুমিতা রায়। এবং তাঁর ৫ বছরের মেয়ে। সূত্রের খবর, প্রিয়ঙ্কার স্বামী সুমন দাস একটি কারখানার কর্মী। ৭ বছর আগে মধুমিতার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। শুক্রবার কাজ থেকে ফিরে সুমন দেখেন বাড়ির দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেন স্ত্রী ও মেয়েকে। কিন্তু কেউ দরজা না খোলায় তিনি মধুমিতাকে ফোনও করেন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেকে দরজা ভাঙেন সুমন। আর তখনই তিনি দেখেনি ঘরের বিছানায় মেয়ে এবং রান্নাঘরের পড়ে রয়েছে মধুমিতা । সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। মা এবং মেয়ের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে । প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে খাবারে বিষ মেশানোর পাশাপাশি ওই মহিলার গায়ে ঢেলেছিলেন কেরসিন তেল । কিন্তু কী কারণে আত্মহত্যা তা এখন সামনে আসেনি । মেলেনি কোন সুইসাইট নোট । স্বামী সুমন দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেছে পুলিশ ।