Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আগামী ভোটে লড়তে পারবে না শেখ হাসিনার দল, জানাল মোল্লা ইউনূসের সরকার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশের কুর্সিতে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিকে বসানোই যে মূল লক্ষ্য, তা স্পষ্ট করে দিল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের পোষ্য ভৃত্য মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। বুধবার (২২ জানুয়ারি) মোল্লা ইউনূসের প্রেস সচিব তথা জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর অন্যতম শীর্ষ নেতা শফিকুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে লড়তে দেওয়া হবে না।’ সেই সঙ্গে তিনি এও ইঙ্গিত দিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা (জামায়াত ইসলামী- ইসলামী আন্দোলন) যাতে বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় আসীন হতে পারে, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে অন্তর্বর্তী সরকার। ইউনূসের যাবতীয় অপকর্মের হোতা শফিকুলের এমন মন্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খানিকটা কটাক্ষের সুরে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের এখনও ঘৃণার চোখে দেখেন। তাই অন্তর্বর্তী সরকার যদি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে দেশের ক্ষমতায় বসানোর কোনও চেষ্টা চালায়, তাহলে সর্বশক্তি দিয়ে দেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।’

গত ৫ অগস্ট সেনাবাহিনীর বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন পদচ্যূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সঙ্গেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও প্রাণ বাঁচাতে গা ঢাকা দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে নির্মূল করতে কোমর কষে ঝাঁপিয়েছে ‘রাজাকার’ মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। ইতিমধ্যেই গণহারে মিথ্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জামিন পেয়ে যাতে বাইরে বেরিয়ে আসতে না পারে, তার জন্য জেলের ভিতরে বিষ খাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের খুন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ যাতে আর অংশ নিতে না পারে তার জন্য নিষিদ্ধ করারও চেষ্টা চলেছিল। কিন্তু প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপির তীব্র আপত্তিতে তা বাস্তবায়িত করা যায়নি।

ফলে গত কয়েক মাস ধরেই কানাঘুষো চলছে, বাংলাদেশে পরবর্তী ভোটে কী শেখ হাসিনার দল লড়তে পারবে? নব্য গঠিত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান জানিয়েছিলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ভোটে অংশ নিতে দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’ ফলে খানিকটা ধোঁয়াশা ছিল। এদিন সেই ধোঁয়াশা দূর করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন, ‘আওয়ামী লীগকে ভোটে লড়তে দেওয়া হবে না।’ ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘গণহত্যা সমর্থনকারী আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভ্রান্তিতে আছেন যে, দেশ নির্বাচনের দিকে ফিরে গেলে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করলে এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এটি সম্ভব নয়। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংগঠিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর সহযোগীদেরও বিচার হবে।’ বাংলাদেশে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদরা (যদিও কোন-কোন দেশের কূটনীতিবিদ, তা উল্লেখ করেননি) খুব কমই সমঝোতার বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধ স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতার আহ্বান জানানো যায়? বরং তারা সংস্কার এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করার বিষয়ে বেশি সমর্থন জানিয়েছেন।’

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

সোমেই পুরোপুরি থামবে যুদ্ধ! পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসছে আমেরিকা-ইরান

0:00