নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আরজি করে কাণ্ডে শুক্রবারই জামিন হয়েছে সন্দীপ ঘোষের। এর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তন্ময় ভট্টাচার্যের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিল সিপিএম। মহিলা সাংবাদিককে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে। আর সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সিপিএমের তরফ থেকে তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করা হয়েছিল উত্তর দমদমের প্রাক্তন বিধায়ককে ।
তন্ময়ের সাসপেনশন তুলে নেওয়ার কথা জানিয়ে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী বলেছেন, ‘কমরেড তন্ময় ভট্টাচার্যকে তদন্ত সাপেক্ষে যে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে কমরেড তন্ময় ভট্টাচার্য পার্টির স্বাভাবিক কাজকর্মে অংশগ্রহণ করবেন।’ সূত্রের খবর, সিপিআইএমের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা গ্রুপে এই মেসেজ পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মেসেজের স্ক্রিনশট বাইরে এসেছে। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে এবার নতুন করে চর্চা।
তন্ময়ের সাসপেনশন উঠতেই সামনে আসছে বেশ কিছু প্রশ্ন। সাংবাদিক বৈঠক করে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তন্ময়কে কেন চুপিচুপি সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হল? তবে এই নিয়ে সিপিএমের শীর্ষ নেতাদের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর তন্ময়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এক মহিলা সাংবাদিক অভিযোগ তুলেছিল। ফেসবুক লাইভে পোস্ট করে মহিলা সাংবাদিক জানিয়েছিলেন সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময়ে তন্ময় তাঁর ‘কোলে বসে পড়েন’। ওই দিন বিকেলেই সিপিএমের তরফে রাজ্য সম্পাদক সেলিম জানিয়ে দেন, দল তন্ময়কে সাসপেন্ড করছে। এরপরেই এদিন কার্যত গোপনেই তাঁর ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিল দল।