নিজস্ব প্রতিনিধি: শেষ পর্যন্ত আরজি করের আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের দাবি মেনে নিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। বুধবার রাতেই পড়ুয়া ও জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি মেনে আরজি করের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল, এমএসভিপি বুলবুল মুখোপাধ্যায়, সহকারী সুপার এবং চেস্ট মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। স্বাস্থ্য দফতরের সিদ্ধান্ত জানার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে উঠেছেন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা।
এদিন দুপুরেই আরজি করের বর্তমান দায়িত্বে থাকা সব আধিকারিককে অপসারণের দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। পরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা কৌস্তভ নায়েকের সঙ্গে দেখা করে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের এক প্রতিনিধি দল দাবি জানান, আরজি করের বর্তমান আধিকারিকদের অপসারণ করতে হবে। যদিও সেই ‘আবদার’ মানা সম্ভব নয় বলে ইঙ্গিত দেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা। এতে আরও ক্ষিপ্ত হন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। তারা জানিয়ে দেন, দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আন্দোলনকারী পড়ুয়া ও জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি নিয়ে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্য অধিকর্তা দেবাশিস হালদারও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়, পড়ুয়াদের সব দাবি মেনে নেওয়া হবে। আরজি করের বর্তমান অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল, এমএসভিপি বুলবুল মুখোপাধ্যায় ও চেস্ট মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পরেই সমালোচনার জেরে সরিয়ে দেওয়া হয় তৎকালীন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ, এমএসভিপি সঞ্জয় বশিষ্টকে। সন্দীপের জায়গায় প্রিন্সিপাল করা হয় সুহৃতা পালকে।