নিজস্ব প্রতিনিধি: ক্ষমতায় থাকাকালীন সিপিএম কত ভয়ঙ্কর ছিল, তা অনেকেই জানেন। কিন্তু ক্ষমতাহীন এবং বাংলায় শূন্য হওয়া সিপিএমের তথাকথিত ক্যাডাররা স্বার্থে আঘাত লাগলে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন, তার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নখদাঁত বের করে ঝাঁপিয়েছে সিপিএমের ক্যাডারকুল। ‘আরজি কর কাণ্ডের’ বিচার চেয়ে রাজপথে মাটি কামড়ে রয়েছে সাইনবোর্ড সর্বস্ব সংগঠনে পরিণত হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। ঘটা করে প্রতিদিনই আন্দোলন চালাচ্ছে। মঙ্গলবারও তৃণমূল সরকার বিরোধী জনরোষ তৈরির লক্ষ্যে শ্যামবাজারে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল ‘লালপার্টি’। ম্যাটাডোরের উপরে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। ঠিক তখনই বিপত্তি।
তখনই নেতাজি মূর্তির নীচে দাঁড়িয়ে সাদা-কালো ডোরাকাটা টিশার্ট পরা এক মহিলা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনারা রাজনীতির কথা কেন বলছেন? ধর্ষণের বিচারের কথা বলুন! একে অন্যকে দোষারোপ করছেন!’ ব্যস আর যায় কোথায়? প্রতিবাদী মহিলার কণ্ঠরোধ করতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন ৩৪ বছর ধরে বঙ্গের শাসনক্ষমতায় থাকার সময়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে দেওয়া সিপিএমের মহিলা কর্মীদের একাংশ। কয়েকজন পুরুষ সমর্থক বলতে থাকেন, ‘আপনাকে কি তৃণমূল পাঠিয়েছে?’ আচমকাই সিপিএমের বিখ্যাত প্রমীলা বাহিনীর বেশ কয়েকজন প্রতিবাদী মহিলাকে সভাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। মহিলা নিজের দাবিতে অনড় থাকেন। একই কথা বলতে থাকেন।
আর ঝুঁকি নেননি ‘আরজি কর কাণ্ডের বিচার চেয়ে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চালানো সিপিএমের মহিলা কর্মীরা। প্রশ্নকর্তা মহিলাকে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় থেকে টানতে টানতে ভূপেন্দ্র বোস অ্যাভিনিউয়ের দিকে নিয়ে যান। সেই দলে ছিলেন পরিচিত সিপিএমের নেত্রীরা।