নিজস্ব প্রতিনিধি: গোটা দেশ এখন দীপাবলি উৎসবের অপেক্ষায়। শেয়ার মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের জন্যও এই বিশেষ দিনটি অত্যন্ত শুভ। এমনিতে দীপাবলির সময় শেয়ার বাজার বন্ধ থাকলেও উৎসবের প্রথম দিন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খোলা হয় শেয়ার মার্কেট। এই সময়ের মধ্যেই লেনদেন সেরে নেন বিনিয়োগকারীরা। একে বলা হয় ‘মুহুরত ট্রেডিং’(Muhurat Trading)। ভারতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে পুরনো এই বিনিয়োগের ঐতিহ্য। এর সূচনা প্রায় পাঁচ দশক আগে ১৯৫৭ সালে BSE(Bombay Stock Exchange)-এর হাত ধরে।
আরও পড়ুনঃ নার্সারি বাচ্চার ভর্তির ফি ৫৫,৬০০ টাকা! বিল দেখে মাথায় হাত নেটিজেনদের
মনে করা হয়, দীপাবলির দিনে ব্যবসায়িক লেনদেন অত্যন্ত শুভ এবং বিনিয়োগকারীরা এই বিশেষ ক্ষণে ইনভেস্ট করে দুর্দান্ত রিটার্ন পেয়ে থাকেন, সেই কারণেই মুহুরত ট্রেডিংয়ের এত রমরমা। চলতি বছর এই মুহুরত ট্রেডিং কবে হবে তা নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। কারণ ৩১শে অক্টোবর ও ১লা নভেম্বর এই দুই দিনই দিওয়ালি পড়েছে, ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (NSE) তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ১লা নভেম্বর দিনেই আয়োজিত হবে ‘মুহুরত ট্রেডিং’।
আরও পড়ুনঃ কলেজে ভর্তির নামে লক্ষাধিক টাকার হাত সাফাই, অভিযোগে শীলমোহর স্বাস্থ্য ভবনের
এই বিশেষ দিনের বিশেষ বিনিয়োগ শেয়ার বাজারের ওঠা-পড়ার ওপর নির্ভর করে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র দিন দিওয়ালিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে বিনিয়োগের এই ঐতিহ্য। এই বিনিয়োগ কালক্রমে মিশে গিয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে। বহু ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী এদিন মূর্তিপুজোর পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট বই এবং ট্রেডিং টুলগুলির পুজো করে থাকেন। এক কথায়, ধন-সম্পদ বৃদ্ধির কামনায় করা হয় এই বিনিয়োগ। চলতি বছরের মুহুরত ট্রেডিংয়ের প্রাক অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১লা নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫.৪৫ থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এরপর মুহুরত ট্রেডিং শুরু হচ্ছে ৬টা থেকে, চলবে ১ঘন্টা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। এরপর সমাপনী অধিবেশন থাকছে সন্ধ্যে ৭টা ১০ থেকে ৭টা ২০ পর্যন্ত ১০ মিনিটের জন্য।