নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে এল সেই প্রতীক্ষিত দিন যার অপেক্ষায় ছিল গোটা রাজ্যের মানুষ। আজ থেকেই শুরু হচ্ছে আরজি কর(RG Kar Incident) হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলার বিচারপর্ব। প্রায় তিন মাস পর সুবিচারের প্রথম পর্যায়ে দাঁড়িয়ে নির্যাতিতা তিলোত্তমা। এই কাণ্ডে সুবিচার পাওয়া হয়তো অনেক আগেই হয়ে যেত যদি না জুনিয়র ডাক্তারেরা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতেন। তবে রাজ্য সরকারের(West Bengal Government) প্রশংসা এক্ষেত্রে না করলেই নয়, পুরো বিষয়টি তৎপরতায় সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসন যেভাবে সামলেছে তা অকল্পনীয়। আজ দুপুর দুটোর পর থেকে রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুরু হবে মামলার বিচারপর্বের শুনানি।
আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই ব্যাপক পারদ পতন, শীতের আগমন নিয়ে বড় আপডেট হাওয়া অফিসের
এদিন প্রথমেই নির্যাতিতার বাবার সাক্ষ্যদান করার কথা। প্রথম সাক্ষী হিসেবে তাঁকেই নির্বাচন করা হয়েছে। সেইমতো এদিন দুপুর দুটোর আগেই নির্যাতিতার বাবাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রথমদিন নির্যাতিতার বাবা উপস্থিত হলে তাঁকে সিবিআইয়ের আইনজীবী ও অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের আইনজীবীরা পরপর ‘ক্রস’ করতে পারেন। সাক্ষীর বক্তব্য নথিভুক্ত করবেন বিচারক। বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে সরাসরি অথবা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারের সময় উপস্থিত থাকতে হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বচসার মাঝেই শুট আউট! গুলির আঘাতে প্রাণ গেল ২০ বছর বয়সী যুবকের
এখনও পর্যন্ত সিবিআইকে জানানো হয়েছে যে, মামলার শুনানি চলাকালীন মোট ৫১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হতে পারে। যদিও সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে সাক্ষীর সংখ্যা ১২৮ জন। সিবিআইয়ের সূত্র জানিয়েছে, দিনে দুই বা তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়া হতে পারে। ফলে ডিসেম্বর মাসের চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে বিচারপর্ব শেষ করতে পারেন বিচারক। শেষ পর্যন্ত কি হয় আপাতত সেই দিকেই নজর রাজ্যবাসীর। সুবিচারের আশায় মুখিয়ে রয়েছেন নির্যাতিতার বাবা-মা।