নিজস্ব প্রতিনিধি: ধীরে ধীরে খুলছে জট। আরজি কর মামলার(RG Kar Case) শুনানিতে বিপাকে পড়েছেন অভিযুক্তরা। শুধু তিলোত্তমা কাণ্ডেই আটকে নেই এই মামলা। ইতিমধ্যেই একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে জর্জরিত আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ(Sandip Ghosh)। এদিকে অভিযুক্ত সঞ্জয়কে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। কিন্তু সঞ্জয়ের সেই বক্তব্য ধোপে টেকেনি। এদিন সাংবাদিকদের সামনেও মুখ খুলতে দেওয়া হয়নি সঞ্জয়কে। তবে আরজি কর কাণ্ড মোড় নিচ্ছে ন্যায়ের দিকেই।
আরও পড়ুনঃ দিদিমার মৃত্যুবার্ষিকীতে ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করে তাক লাগিয়ে দিল পাকিস্তানের ভিখারি
এদিন সোমবার অভিযুক্ত জুনিয়র চিকিৎসক আশিস পান্ডেকে(Ashish Pandey) সশরীরে আদালতে পেশ করা হয়। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সহ তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী সুমন হাজরা এবং বিপ্লব সিংহ ও দেহরক্ষী আশরাফ আলি খান ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। অভিযুক্তদের তরফে কোনও জামিনের আবেদন করা হয়নি। তবে সিবিআইয়ের(CBI) তরফে এদিন জেল হেফাজতের আবেদন করা হয়। সেই মতো অভিযুক্তদের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় আশিস পান্ডেকে। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন তিনি। তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় আশিসকে। আপাতত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকতে হবে তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ ১৫ লক্ষ টাকার চেক ফিরিয়ে দিলেন অনায়াসে, রিকশা চালকের সততায় মুগ্ধ সকলে
অন্যদিকে একটি বিষয় না উল্লেখ করলেই নয়। জুনিয়র ডাক্তারেরা যে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই আন্দোলনের সূচনা করেছিল তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে তিলোত্তমা মামলায় দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত জারি রেখেছে সিবিআই। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যথাসাধ্য সাহায্য করা হচ্ছে। সুবিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন নির্যাতিতা তিলোত্তমার বাবা-মা।