নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় প্রতিবাদে ১০ দফা দাবি পূরণে অনশনে নেমেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। আর তখনই গণইস্তফার পথে নামেন কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র চিকিৎসকরা। এই কর্মকাণ্ডটি চলেছিল ৮ অক্টোবর থেকে শুরু করে টানা ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এই ঘটনা নিয়ে সেইসময় তোলপাড় হয়ে যায় গোটা রাজ্য।
আজ ১১ নভেম্বর প্রায় ১ মাস পার। তবে এখন পর্যন্ত কোন চিকিৎসকেরাই নিয়ম মেনে স্বতন্ত্র ইস্তফা জমা দেননি। এমনটাই জানা যাচ্ছে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে ঠিক একমাস আগে যেভাবে লাইভ করে গণ ইস্তফা দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা সেগুলি কী তাহলে নাটক ছিল? না লোক দেখানো? নাকি সরকারকে চাপে রাখার কৌশল? ইতিমধ্যেই এই নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
সমালোচকদের একাংশ জানিয়েছেন, দিস্তা দিস্তা ইস্তফার একটিকেও যাতে গুরুত্ব দিয়ে রাজ্য গ্রহণ না করে সেইজন্য এই সাদা-কাগজে গণইস্তফার পরিকল্পনা করেছিলেন চিকিৎসকেরা। স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা জানান, ‘আধিকারিকরা বলেন, একটিও ইস্তফা নয়। কারণ, নিয়োগপত্র যেমন চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত। ইস্তফাপত্রও ঠিক তেমনই ।‘ বলা বাহুল্য, ইস্তফাপত্র দুটি ধরণের হয়ে থাকে। একটি ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট। যা ২০ বছর টানা চাকরি এবং ৫০ বছর বয়স হলে তার আবেদন সম্ভব।আর দ্বিতীয়টি হল রেজিগনেশন বা ইস্তফা। এক্ষেত্রে সরকারি আবেদনপত্র বা ফর্ম আছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রধান সচিবকে উদ্দেশ্য করে দিতে হয় ইস্তফা। আর এটি করতে সময় লাগে প্রায় ১ মাস। একথায় বলা যায়, বর্তমানে চিকিৎসকদের এই গণইস্তফা নিয়ে এখন উঠছে নানান প্রশ্ন।