নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আরজি করে চিকিৎসক খুনের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এবার সিভিক ভলান্টিয়ারদের উপরে কার্যত অনাস্থা প্রকাশ করল দেশের শীর্ষ আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) আরজি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনও হাসপাতাল-স্কুল-থানায় (অর্থাৎ মেয়েরা যেখানে রয়েছেন) কোনও সিভিক ভলান্টিয়ারকে মোতায়েন করা যাবে না। নির্দেশ পূরণ করতে কী কী পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার, পরবর্তী শুনানিতে তাও জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন শুনানিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের আইনজীবী করুণা নন্দী আরজি করের চিকিৎসক খুনে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে কীভাবে হাসপাতালে নিয়োগ করা হল? তাছাড়া হাইকোর্টও সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগে একাধিকবার আপত্তি জানিয়েছিল।’ রাজ্যের তরফে আইনজীবী পাল্টা জানান, ২০০৫ সালের নিয়ম মেনে দেশের সব হাসপাতালে নিয়োগ করা হয়। মহারাষ্ট্রে যে নিয়ম মেনে নিয়োগ হয় কলকাতাতেও একই নিয়মে নিয়োগ হয়। সঞ্জয়কে পুলিশের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছে।’
প্রধান বিচারপতি তখন রাজ্যের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কোনও বৈধ আইনের ভিত্তিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয়? কোথায় কোথায় নিযুক্ত রয়েছেন তাঁরা? দৈনিক নাকি মাসিক বেতন পান তাঁরা? রাজ্যের আইনজীবীকে এ বিষয়ে হলফনামা দিতে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পে যে দেড় হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হয়েছে তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল-থানা এবং স্কুলে নিয়োগ করা যাবে না।’