নিজস্ব প্রতিনিধি : ভাঙরের অশান্তির ঘটনায় পুলিশের জালে আইএসএফ নেতা। ভাঙর থানার সাহায্যে অভিযুক্ত রাহুল মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে হাতিশালা থানার পুলিশ। ঘটকপুকুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত সোমবার বাসন্তী হাইওয়ে এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে আইএসএফ কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া থেকে শুরু করে গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই অশান্তি ছড়ানোর পিছনে রাহুল মোল্লা জড়িত ছিলেন বলে সন্দেহ পুলিশের। তারপরেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাজ্যে যেকোনো অশান্তি দমনে সচেষ্ট পুলিশ। সেটা মুর্শিদাবাদ হোক বা ভাঙড়। কোথাও কোনো অশান্তি ছড়ালেই শক্ত হাতে লাগাম টানার নির্দেশ রয়েছে। সেইমতো শনিবার ঘটকপুকর থেকে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে রামলীলা ময়দানে বক্তব্য রাখার কথা ছিল নওশাদ সিদ্দিকির। সেই সভায় যোগ দিতেই উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে বহু আইএসএফ কর্মী যাচ্ছিলেন রামলীলা ময়দানের উদ্দেশ্যে। যাওয়ার পথেই বাসন্তী হাইওয়েতে আইএসএফের গাড়ি আটকানোর কথা জানা গিয়েছে। তারপরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল।
পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া, ব্যারিকেড ভাঙা, পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। রাস্তার উপরে ট্র্যাফিক পুলিশের সিসিটিভি ক্যামেরাও ভেঙে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানিয়েছেন সিপি মনোজ ভার্মা।
তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক, কড়া হাতে তা দমন করতে হবে। সব অশান্তির মোকাবিলা করতে হবে পুলিশকেই। ভাঙড়ে কোনো রকম অশান্তি চাইছেন না তিনি। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য, ভাঙড়কে অশান্ত হতে দেওয়া যাবে না।