নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের একমাত্র সরকারি হার্টের হাসপাতাল হল নদিয়া জেলার(Nadia District) কল্যাণী গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতাল। আর সেখানেই কিনা আক্রান্ত খোদ ডেপুটি ম্যাজেস্ট্রেট(Deputy Magistrate)। তাও আবার কিনা ওই হাসপাতালের কর্মীদের হাতে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় এখন প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কল্যানীর এই হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আটকও হয়েছেন দুই নিরাপত্তারক্ষী(Security Guard)। আক্রান্ত প্রশাসনিক আধিকারিকের নাম সুশান্তকুমার বালা(Sushanta Kumar Bala)। তিনি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।
আরও পড়ুন ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মদ বিক্রি করে ১৮০০০ কোটি টাকা আয় রাজ্যের
জানা গিয়েছে, সুশান্তবাবুর বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার Kalyani Gandhi Memorial Hospital-এ সুশান্তবাবুর নিজের ভাই উকিল বালা চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন। তাঁকে দেখতে এদিন অর্থাৎ শনিবার সেই হাসপাতালে যান সুশান্তবাবু। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। উকিল বালার পরিবারের লোকেরাও এসেছিলেন তাঁর জন্য খাবার নিয়ে। কিন্তু তাঁদের হাসপাতালের গেটেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর তাতেই বচসা বাধে উভয়পক্ষের। এরপর সুশান্তবাবুর একভাইকে ধরে হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মীরা মারধর করেন। ভাইকে ঠেকাতে এগিয়ে আসেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তাকেও মারধর করা হয় বলে দাবি।
আরও পড়ুন ‘মাইক বন্ধ করে আমাকে অপমান করা হয়েছে’, নীতি আয়োগের বৈঠক থেকে ওয়াকআউট মমতার
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দুই পুলিশ আধিকারিক। দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করেন তাঁরা। সুশান্তবাবু জানিয়েছেন, ‘আমার ভাই হাসপাতালে ভর্তি আছে। ওকে দেখতে এসে আমার এই অবস্থা। এর বেশি আর কিছু বলব না। আমার চোট লেগেছে।’ অভিযুক্ত এক নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছেন, ‘আমাদের মেরেছে। আমরা কিছু করিনি।’ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হাসপাতালের ভিজিটিং আওয়ার্সে আসেননি সুশান্তবাবু ও তার আত্মীয়রা। কিন্তু নন ভিজিটিং আওয়ার্সেই প্রভাব খাটিয়ে ঢুকতে চাইছিলেন তাঁরা। আর তা থেকেই বিবাদ উভয়পক্ষের। নিরাপত্তারক্ষীরা রাজি ছিলেন না তাঁদের ঢুকতে দিতে।