Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে ধৃত নিরাপত্তারক্ষীর পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল

কসবা ল'কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে ধৃত নিরাপত্তারক্ষীকে পুলিশ হেফাজতে পাঠাল আদালত। শুক্রবার (৪ জুলাই) আদালত জানিয়েছে, আগামী ৮ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতেই থাকবেন তিনি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কসবা ল’কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে ধৃত নিরাপত্তারক্ষীর পুলিশ হেফাজতে থাকার মেয়াদ বাড়ল। শুক্রবার (৪ জুলাই) আদালত জানিয়েছে, আগামী ৮ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতেই থাকবেন তিনি। ওইদিনই গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন অভিযুক্তের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সুতরাং আগামী ৮ জুলাই মঙ্গলবার কসবা আইন কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত-সহ ধৃত চারজনকে আলিপুর আদালতে হাজির করানো হবে। তিন অভিযুক্তকে ৮ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। আর অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীকে শুক্রবার (৪ জুলাই) পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে আজ মেয়াদ শেষে ওই রক্ষীকে আলিপুর আদালতে হাজির করানো হলে আদালত তাঁকে আরও চারদিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

গত ২৫ জুন কসবা থানা এলাকায় অবস্থিত আইন কলেজের মধ্যেই ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত, কলেজের প্রাক্তনী তথা অস্থায়ী কর্মী ‘এম’, বাকি দুই পড়ুয়া ‘জে’ এবং ‘পি’-কে পরেরদিন গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ২৭ জুন তাঁদের আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক চারজনকে পুলিশি হেফাজতে পাঠায়। সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার। ২৫ জুন খাস কলকাতায় কলেজের মধ্যেই তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়।

জানা গিয়েছিল, বুধবার কলেজের ভিতরেই জিএস পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিল অভিযুক্ত ৩ জন। তরুণীকে কলেজের একতলার রুমে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। এরপরের দিনেই কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা। তদন্তে নেমে ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে তালবাগান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ২ অভিযুক্তকে। এরপর তাদের বয়ানের সূত্র ধরে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর গত ২৭ জুন রাতে ঘটনার দিন দায়িত্বে থাকা কলেজের রক্ষীকেও গ্রেফতার করা হয়। নির্যাতিতা অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, ঘটনার সময়ে রক্ষী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তিনি ‘অসহায় সাক্ষী’ ছিলেন। কারণ নির্যাতিতাকে কোনও সাহায্য করতে পারেননি। রক্ষীর ঘরে নিয়ে গিয়েই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। এবং সেই সময়ে রক্ষীকে জোর করে ঘরের বাইরে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00