Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আর জি কর কাণ্ডে গ্রেফতার ১, রাতভর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ ২ ইন্টার্নকে

আর জি কর কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতারি। ধৃতের নাম সঞ্জয় রায়। সে নিরাপত্তারক্ষী হলেও সরাসরি হাসপাতালের কর্মী বা পুলিশের লোক নয়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর(Unnatural Death of a Student) ঘটনায় শুক্রবার রাতেই খুনের মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। রাতেই তাঁরা এই ঘটনায় ১জনকে আটক করে। পরে তাকে গ্রেফতারও(Arrest) করা হয়। একইসঙ্গে জানা গিয়েছে, ওই হাসপাতালের ২জন ইন্টার্নকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে হাসপাতালের আরও ২৩জন কর্মী, ইন্টার্ন, জুনিয়র চিকিৎসককেও। পুলিশ যাকে আটক করেছে, তার নাম সঞ্জয় রায়। সূত্রে জানা গিয়েছে, আটক ব্যক্তি বহিরাগত, কিন্তু আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিটি ভবন ও অলিগলি তাঁর মুখস্থ। সেখানে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল। তার কথাবার্তায় বিস্তর অসঙ্গতি থাকায় পুলিশ তাকে আটক গ্রেফতার করেছে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, এই অপরাধে একাধিক জন জড়িত। অর্থাৎ ঘটনার তদন্তের গতিরেখা গণধর্ষণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

আরও পড়ুন, আলবিদা কমরেড, ভালো থাকুন লোকচক্ষুর অন্তরালে, মানুষের হৃদমাঝারে

পুলিশ সূত্রের খবর, যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই সঞ্জয় রায় আর জি কর হাসপাতালের একজন নিরাপত্তারক্ষী(Security Guard)। যদিও সে সরাসরি হাসপাতালের কর্মী বা পুলিশের লোক নয়। থার্ড পার্টি অর্থাৎ বেসরকারি কোনও সংস্থা তাকে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ডিউটি ছিল তার। তাকে প্রশ্ন করলে, তার উত্তরে বেশ কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। সেই কারণে রাতেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে থানায়। পাশাপাশি যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেই ঘরে কোনও সিসিটিভি না থাকলেও আশেপাশে কিছু ঘরের বাইরে সিসিটিভি রয়েছে। সেখানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সঞ্জয়কে আটক করে পুলিশ। থানায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার কথাবার্তায় বিস্তর অসঙ্গতি মেলার পরেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি অসঙ্গতি মিলেছে ২ ইন্টার্নের বয়ানেও। তাদেরও সমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন, রাম নাম নিয়ে এপার বাংলার সীমান্তে হাজির ওপার বাংলার শয়ে শয়ে মানুষ, চাইছেন আশ্রয়

মৃতার দেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে রাত ৩টে থেকে ভোর ৬টার মধ্যে। যে সেমিনার রুমে ঘটনাটি ঘটেছে সেই জায়গাটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। নির্জন। সেমিনার রুমে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। সেখানে যাওয়ার করিডরেও সিসি ক্যামেরা নেই বলেই অভিযোগ। সেমিনার রুম পেরিয়ে একেবারে কোনে ডিআরটিবি রুম। সেখান থেকে সিঁড়ি নেমে গিয়েছে নীচে আর জি কর-এর আর একটি গেটের দিকে। কেউ সচরাচর রাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন ওই অংশে ভয়ে যান না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে না এলেও পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ডাক্তারি ছাত্রীর যৌনাঙ্গ-সহ দেহের বিভিন্ন অংশে অন্তত ১১টি আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।

আরও পড়ুন, স্কুল থেকে বাড়ি না ফিরে পুকুরে স্নান, তলিয়ে গেল ২ পড়ুয়া

শেষ মুহূর্তে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন ওই তরুণী। আর তাঁকে বশে আনতে অকথ্য শারীরিক অত্যাচারও চলেছিল। দু’চোখ, মুখ ও যৌনাঙ্গ থেকে রক্তপাত এবং সবমিলিয়ে অন্তত ১১টি জায়গায় ক্ষতচিহ্ন, সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে। মুখে, ঠোঁটে, পেটে, গলায়, ডানহাতের অনামিকায়, বাঁ পায়ে, বাঁ-দিকের গোড়ালির কাছে ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। সেমিনার হলের যে ম্যাট্রেস থেকে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, সেই ম্যাট্রেসেও রক্তের দাগ মিলেছে। ছাত্রীর যৌনাঙ্গ এবং দুপায়েও রয়েছে রক্তের দাগ। যা থেকে শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগও ক্রমেই জোরাল হচ্ছে। এখন প্রশ্ন একটাই সঞ্জয় একা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00