নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অবশেষে মিলল স্বস্তি। চাপে পড়ে কর্মবিরতি তুলল আলু ব্যবসায়ীরা । বুধবার হরিপালে প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্নার বৈঠকের পরেই মিলল সমাধান সূত্র। আশা করা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কর্মবিরতি ওঠার পরে কিছুটা হলেও কমতে চলেছে আলুর দাম।
তবে এই কর্মবিরতি নিয়ে মঙ্গলবার বাঁকুড়ার জয়পুরে একটি বেসরকারি হোটেলে আলু ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক হয় । তবে সেখানেও মেলেনি সমাধান সূত্র। সেইজন্য এদিন তড়িঘড়ি বুধবার হুগলিতে ফের সরকারপক্ষের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছিল প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি। আর তাতেই মিলল সুরাহা।
কী কারণে এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল? ব্য়বসায়ীদের অভিযোগ, রাজ্যের সীমান্তগুলিতে বেড়েছে পুলিশের জুলুমদারি। সেই প্রতিবাদে গত সোমবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি। এ জন্য হিমঘর থেকে আলু বেরোনো প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর তাতে বাজারে কমেছে আলুর জোগান। বুধবার কোনও বাজারে ৪০, কোথাও ৪৫ টাকা কিলো দরে জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে। চন্দ্রমুখী ৫০ পার করেছে। আলুর এই মূল্যবৃদ্ধিতে নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল মধ্যবিত্তদের। এই আবহে এদিন প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ীদের বৈঠকে মিলল সুরাহা। তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন আমজনতা।