নিজস্ব প্রতিনিধি: ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে কাশ্মীরের অনামী ক্লাব ডাউনটাউন হিরোজকে নামমাত্র গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করল মোহনবাগান। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ম্যাচের ৭৩ মিনিটে সবুজ মেরুনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন সুহেল ভাট। জিতে তিন পয়েন্ট পেলেও দলের খেলায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি বাগান সমর্থকরা।
এদিন ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে ভাঙাচোরা দল নিয়েই মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান। কিন্তু কাশ্মীরের অনামী এবং তরুণ ফুটবলারদের বিরুদ্ধে বাস্তব রায়ের শিষ্যরা দাপট দেখাতে পারেননি। বরং ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছেন। বাগানের খেলোয়াড়রা এমন কোনও আক্রমণ শানাতে পারেননি যাতে গোল হতে পারে। আশিস রাই, গ্লেন মার্টিন্সের মতো অভিজ্ঞদের কাঁধে ছিল বাড়তি দায়িত্ব। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তাঁরা। একবারই গোলের সুযোগ পেয়েছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। ফ্রি কিক থেকে সুহেলের নেওয়া বাঁ পায়ের শট পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। মোহনবাগানের তুলনায় বরং অনেক বেশি আগ্রাসী দেখিয়েছে কাশ্মীরের অনামী ক্লাবটিকে। যদিও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পায়নি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের জন্য ঝাঁপায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। গোলের লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ শানাতে শুরু করে। কিন্তু কাশ্মীরের ক্লাবটির রক্ষণ ভেদ করতে পারেনি। উল্টে ৭১ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে বাগান গোলরক্ষক জাহিদ একটি বল ধরতে গিয়ে মিস করেন। ডাউনটাউনের কোনও ফুটবলার পায়ে বল লাগাতে পারলেই গোল হয়ে যেত। কিন্তু তা পারেনি। এর দুই মিনিট বাদে মার্টিন্সের পাস ধরে বক্সে বল বাড়ান অভিষেক। ডান প্রান্ত ধরে উঠে আশিস পাস বাড়ান সুহেলের দিকে। বক্সের মধ্যে থেকে গোল করতে ভুল করেননি কাশ্মীরের ছেলে। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেই আক্রমণাত্মক ভূমিকা ছেড়ে রক্ষণাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় বাস্তব রায়ের শিষ্যরা। গোলরক্ষকও বদল করেন বাগান কোচ। জাহিদকে তুলে নিয়ে চলতি বছর দলে যোগ দেওয়া ধীরাজ সিংহকে নামানো হয়। যদিও প্রথম ম্যাচে তাঁকে তেমন অগ্নিপরীক্ষায় পড়তে হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জিতেই মাঠ ছাড়ে সবুজ মেরুন ব্রিগেড।