নিজস্ব প্রতিনিধি : জগদ্ধাত্রী শব্দের অর্থ হল জগতের ধারণকারিণী। তিনি মা দুর্গারই এক রূপ। পুরাণ অনুযায়ী, মহিষাসুর বধের পর দেবতারা অহংকারী হয়ে উঠলে মা দুর্গা তাদের অহংকার চূর্ণ করার জন্য জগদ্ধাত্রী রূপে আবির্ভূত হন।দিকে দিকে মাতৃ আরাধনায় ব্যস্ত ভক্তরা। চন্দনগর থেকে শুরু করে কৃষ্ননগর, চুঁচুড়া সেজে উঠেছে দেবী জগদ্ধাত্রী। আগামী রবিবার জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। জানেন কী এই পুজোর নবমী তিথিতে যদি বিশেষ কিছু টোটকা মেনে চলেন তবে মনস্কামনা পূর্ণ হয়। তবে জেনে নিন নবমীতে কোন বিশেষ উপায় করলে শুভ ফল পাবেন।
দেবীকে বিশেষ রংয়ের বস্ত্র নিবেদন : পুজোর নবমীর দিন মা জগদ্ধাত্রীকে লাল বা হলুদ বস্ত্র অর্পণ করুন। এতে জীবনের বাধা দূর হয় বলে মনে করা হয়।এছাড়াও দেবীর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি পড়ে ব্যক্তির উপর।
পুজো দিন ও প্রার্থনা করুন : সম্ভব হলে জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমীর দিন দেবীর পুজো দিন। শুধু তাই নয় মনে মনে প্রার্থনা করুন।এতে মনস্কামনা পূরণ হয়।
উপোস রাখুন : জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমীর দিন বাড়ির মহিলারা উপবাস রেখে দেবীর পুজো করুন। এতে সংসারের কল্যানের পাশাপাশি সুখ ও শান্তি ফিরে আসে।
নিরামিষ খাবার খান : এই পুজোর অষ্টমী এবং নবমী তিথিতে পারলে নিরামিষ খাবার খান।পাঁচ রকমের ভাজা, ফল, মিষ্টি ইত্যাদি ভোগে রাখতে পারেন।
প্রদীপ জ্বালান : নবমীর দিন সন্ধ্যাবেলা আমলকি গাছের নীচে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।
আরও পড়ুন : ছেলেরা শাড়ি পড়ে মা জগদ্ধাত্রীকে বরণ করে নেন, জানেন কী কেন এই অদ্ভূত নিয়ম ?
আমলকি গাছকে সাজান : নবমীর দিন আমলকি গাছকে চন্দন, রোলি এবং ফুল দিয়ে সাজানো খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এই দিন আমলকি গাছের নীচে সাধ্যমতো নৈবেদ্য দিয়ে পুজো করুন। পুজো করার পর সাত বার গাছটির চারপাশে ঘুরে মনস্কামনা জানান।
দান করুন : পুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পর কিছু গরিব-দুঃখীকে সাধ্যমতো দান করুন। মনে রাখা প্রয়োজন, জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় যে কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করা অত্যন্ত শুভ।