নিজস্ব প্রতিনিধি: এপ্রিল মাস পড়ে গিয়েছে,। এখন পাল্লা দিয়ে বাড়বে গরম। ক্রমবর্ধমান তাপের সাথে সাথে মানুষ হিটস্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন সহ বিবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে শুরু করে। তীব্র রোদ এবং লু’এর কারণে শরীরে জলের অভাব ঘটে। এই জলশূন্যতা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এই সময় নির্দিষ্ট ধরণের কিছু পানীয় পান করে হিটস্ট্রোক থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।
বেলের শরবত – বেলপানা গ্রীষ্মকালে শরীরকে তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষা করতে পারে। পাশাপাশি পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে। তাছাড়া, বেলের শরবত শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
পোস্তদানার শরবত: শরীরকে ঠান্ডা রাখে, তাই হিটস্ট্রোক থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন দুধ বা জলের সাথে পোস্তদানা মিশিয়ে পান করতে পারেন।
আম পানা: গ্রীষ্মকালে হিটস্ট্রোক এড়াতে আম পানা সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে। কাঁচা আম দিয়ে তৈরি এই পানীয় শরীর ঠান্ডা করে এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে পুদিনা, ভাজা জিরা ও বিটলবণ থাকে, যা এর স্বাদ এবং উপকারিতা বৃদ্ধি করে।
ছাতুর শরবত: ছাতুর শরবত এমন একটি পানীয় যা শরীরকে শক্তি প্রদান করে। এর সাহায্যে আপনি হিট স্ট্রোক থেকেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। পাশাপাশি এটি জলশূন্যতা থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ছাতু দীর্ঘ সময় ধরে পেটকে ভার রাখে।
লেবু জল : তাপপ্রবাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য লেবুর শরবত পান করতে পারেন। এটি তাৎক্ষণিকভাবে শরীরকে ঠান্ডা করে এবং শক্তি বৃদ্ধিকারী হিসেবে কাজ করে। লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং ইলেক্ট্রোলাইট আপনাকে হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে পারে।
ডাবের জল: গ্রীষ্মে হিট স্ট্রোক এড়াতে ডাবের জল পান করা উপকারী। এটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ, যা শরীরে জলের ঘাটতি সৃষ্টি করে না। হিট স্ট্রোক এবং ডিহাইড্রেশন এড়াতে দিনে ১-২ বার ডাবের জল পান করা যায়।