নিজস্ব প্রতিনিধি: যোগীরাজ্য বড়ই জটিল। এদিন উত্তর প্রদেশের সম্ভলে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হল লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও সদ্য নির্বাচিত কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। বুধবার সকালে দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতে গাজীপুর সীমানায় আটকে দেওয়া হয় রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে। পুলিশ তাঁদের সম্বলে যেতে বারণ করেছে। এমনকি পরিস্থিতির মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।
আরও পড়ুনঃ স্বর্ণমন্দিরে সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে গুলি! আততায়ীকে পাকড়াও আমজনতার
এরপর সেখানে পুলিশের তরফ থেকে ভারী ব্যারিকেড করা হয় এবং যানবাহন চেকিং শুরু হয়। ঘটনার প্রসঙ্গে গাজিপুর পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার মিশ্র জানিয়েছেন, ‘আমরা গাজিপুর সীমান্তে কোনও গুরুতর জমায়েত হতে দেব না। পুরো এলাকাটি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পুলিশ এখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত। সন্ত্রাসী বা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি যাতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যে আমরা গাজিপুর সীমান্তে ব্যারিকেড তৈরি করেছি।’
আরও পড়ুনঃ ভেস্তে গেল ডাকাতির ছক! ফিল্মি কায়দায় পুলিশের জালে আটক ৩ কুখ্যাত ব্যাঙ্ক ডাকাত
যদিও এই ঘটনা যে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটকানোর জন্য শ্রেফ একটি চক্রান্ত তা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে। সেই কারণেই সম্ভলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না তাঁদের। বুধবার দিনই সম্ভল আসার পরিকল্পনা করেছিলেন রাহুল। দাদার সফরসঙ্গী হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কাও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মন্দির নাকি মসজিদ? মূলত এই বিতর্কের কারণেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে সম্ভলে। সেখানে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং সাম্প্রতিক এক আদালতের নির্দেশনায় মুসলিম মসজিদে ফের সার্ভে করা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ ৪ জন মারা যান এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এলাকার পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসছিলেন শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ। কিন্তু গাজিপুর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভলে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ার কারণ, সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।