প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে গুণ্ডামির দায়ে ধৃত ৩, মূল পাণ্ডা রাকেশকে খুঁজছে পুলিশ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে বিজেপি কর্মীদের তাণ্ডবে শুক্রবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল কলেজ স্কোয়ার। রাহুল গান্ধি, মল্লিকার্জুন খাড়্গের মতো কংগ্রেস নেতাদের ছবিতে কালি লেপে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় মূল অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের দিকে। তাণ্ডবের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাকেশ ঘনিষ্ঠ তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল বিজয়প্রসাদ ধানুক, সন্তোষকুমার রাজভর এবং দিব্যেন্দু সামন্ত। নাটকের এখানেই সমাপ্তি নয়। পুলিশ জানিয়েছে তদন্ত চলছে। তাই শনিবার দুপুরে রাকেশের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশের একটি দল। কিন্তু সেখানে গেলেও বিজেপি নেতার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে হামলার পরপরই রাকেশ সিংয়ের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বিজেপি নেতার নামে। তার মধ্যে রয়েছে অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারা। এন্টালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির বক্তব্য জানতে চেয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর কাছে খোলা চিঠি লেখেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। সেই সঙ্গে সমস্ত ঘটনা জানানো হয় নবান্নে। রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে ইমেল করে গোটা ঘটনা জানিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখার করার অনুরোধ করে কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপরই মাঠে নামে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। তাতেই উঠে আসে বিজয়প্রসাদ ধানুক, সন্তোষকুমার রাজভর এবং দিব্যেন্দু সামন্তর নাম। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে রাকেশের খোঁজে তাঁর বাড়িতেও যান তদন্তকারীরা। কিন্তু রাকেশ বাড়িতে ছিলেন না। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় রাকেশ-ঘনিষ্ঠ ওই তিন জনকে।

যদিও সমস্ত ঘটনার সূত্রপাত বুধবার ‘ভোটার অধিকার যাত্রায়’ আরজেডি এবং কংগ্রেসের একটি যৌথ সমাবেশে বছর কুড়ির এক তরুণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মাকে নিয়ে কিছু অশালীন মন্তব্য করেন। সেই সময় রাহুল বা তেজস্বী কেউ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন না। এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার পটনায় কংগ্রেস অফিসের বাইরে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। বিজেপি এবং কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বিহারের দ্বারভাঙ্গা। তার আঁচ ছড়ায় কলকাতাতেও।

অভিযোগ, শুক্রবার সকাল সওয়া ১১টা নাগাদ প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে রাকেশের নেতৃত্বে একদল সমর্থক বিজেপির পতাকা হাতে ঢুকে পড়েন। রাকেশ ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা প্রতীক পান্ডে। আক্রমণ, ভাঙচুড় চলে। বিধান ভবনের বাইরে ঝোলানো কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির ছবিতে কালি লেপে দেন বিজেপির লোকজন। তার পর ভেতরে ঢুকে চলে তাণ্ডব। সেই সময় কংগ্রেসের দফতরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। গেটের বাইরে কংগ্রেস নেতাদের ছবিতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পোড়ানো হয় পতাকাও।

‘বাংলায় বিজেপি সরকার গড়েই গোর্খাদের সমস্যার সমাধান করবে,’ ফের প্রতিশ্রুতি শাহের

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

নন্দীগ্রাম পুনরুদ্ধারে উন্নয়নই শাসক দলের হাতিয়ার

অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে আটক মুর্শিদাবাদের ৩ পরিযায়ী শ্রমিক, চিন্তায় পরিবার

প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে পেনশন চেয়ে আবেদন ধনখড়ের

অর্থই অনর্থ! বিজেপি পঞ্চায়েত প্রধানদের চুলোচুলিতে উত্তাল মালদহ

পটনায় ‘গুন্ডামি’ বিজেপি কর্মীদের, কংগ্রেস কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]