আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঢাকার বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রক্তের চাহিদা। গোটা উত্তরা জুড়ে এখন রক্তের হাহাকার। প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে রক্ত। বিমান দুর্ঘটনায় শতাধিক আহতকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সেখানে তাঁদের কারও প্রয়োজন নেগেটিভ ব্লাড, কারও পজেটিভ। আহতদের রক্ত দিতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে রক্তদাতাদের লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে।
উত্তরার সামনে মাইকিং করতেও দেখা গিয়েছে কাউকে কাউকে। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নেগেটিভ রক্তের জন্য মাইকিং করছেন কেউ কেউ। জানা গিয়েছে, রক্ত দেওয়ার জন্য ব্লাডব্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন শতাধিক রক্তদাতা। পজেটিভ রক্ত অনেক পাওয়া গিয়েছে। নেগেটিভ রক্তও খুব দরকার বলে জানািয়েছেন ব্লাডব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। তাই সমস্ত নেগেটিভ রক্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।
রক্তের জন্য় উত্তরায় দাঁড়িয়ে মাইকিং করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশকর্মী জানিয়েছেন, নেগেটিভ রক্তের খুব প্রয়োজন। বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের রক্ত দিতে আগ্রহীদের বাংলাদেশ মেডিক্যাল হাসপাতাল ও কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজধানীর উত্তরায় সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টার নাগাদ মাইলস্টোন কলেজ সংলগ্ন মাঠে ‘এফ-৭ বিজিআই’ মডেলের একটি বিমান ভেঙে পড়ে। সময় যত এগোচ্ছে বাংলাদেশের উত্তরায় মৃতের সংখ্য়াও বাড়ছে হু হু করে। ভারতের আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনার পরেই বাংলাদেশে ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমান। এই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। আহত হয়েছেন শতাধিক। মৃতের তালিকায় রয়েছেন বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, শিক্ষার্থী সহ শতাধিক মানুষ। জখমদের উদ্ধার করার কাজ এখনও চলছে। এই ঘটনাকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করা হয়েছে।