নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি : বর্ষা এলেই ঘুম উড়ে যায় উত্তরবঙ্গবাসীর। এবার চলতি বছরে বর্ষা আসার আগেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন নদী বাঁধের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছেন সেচ দফতরের (Irrigation Department) কর্তারা। জলপাইগুড়িতে এই বৈঠকে বসেছে। বর্ষায় উত্তরবঙ্গের নদীগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে পৌঁছয়। তাই বর্ষা আসার আগেই ব্যবস্থা নিতে চাইছে সেচ দফতর (Irrigation Department)। নদীর সঙ্গে নদী বাঁধের পরিস্থিতিও খারাপ রয়েছে। সেই সকল বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।
জলপাইগুড়িতে মঙ্গলবার সেচ দফতরের বৈঠকে প্রবল বর্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অতিরিক্ত বর্ষণে যদি কোথাও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ১ জুন থেকে উত্তরবঙ্গে কন্ট্রোল রুম খুলছে সেচ দফতর। সেচ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরবঙ্গের প্রায় ১৫০টি জায়গায় বাঁধ সংস্কার করার কাজ চলছে। তার মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি মহকুমার বিভিন্ন নদী। বাঁধ সংস্কারের কাজের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় সাড়ে দশ কোটি টাকা।
প্রতিবছর পুজোর আগে এবং পরে এক প্রস্ত বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা থাকে উত্তরবঙ্গে। অতীতের অভিজ্ঞতার নিরিখে তেমনটাই দেখা গিয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমের বিপর্যয়ের পরে তিস্তার নদীর খাত উঁচু হয়ে যাওয়ায়, বড় নদী চিন্তা বাড়িয়েছে সেচ দফতরের। সে কারণেই দ্রুত বরাদ্দ চেয়েছিল দফতর। উত্তরবঙ্গের তিস্তা ছাড়াও তোর্সা, মহানন্দা, জলঢাকা, সঙ্কোশ, রায়ডাক, মানসাই, কালজানির মতো বন্যাপ্রবণ নদীগুলির জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে খরচের হিসেব হয়েছে।