নিজস্ব প্রতিনিধি, বালুরঘাট: পাঁচ কিশোরী–সহ সাতজন কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গত ১০ দিনে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে।
এই নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর, বুনিয়াদপুর–সহ চারটি মহকুমার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে ঘটেছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে, নিখোঁজ হওয়া কিশোরীদের মধ্যে একটি মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছুদিন আগেই পুলিশ এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পায়। তার পরই শুরু হয় তদন্ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের সীমান্তবর্তী একটি এলাকা থেকে ৯ বছরের এক মেয়ে ২৫ এপ্রিল দুপুরে থেকে নিখোঁজ। সেই দিনই ওই এলাকা থেকে আরেকটি ১২ বছরের কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা সামনে আসে।
তার কিছু দিনের মধ্যেই গঙ্গারামপুর থানা এলাকায় এক ১৭ বছরের নাবালিকা বেপাত্তা হয় যায়। নিখোঁজ মেয়ের বাবার অভিযোগ করে জানিয়েছেন, তাঁর ওই ছোট্ট মেয়েকে আটকে বিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। এমন কী তিনি ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে সন্দেহ করে তাঁদের নামে থাকায় অভিযোগও করেন। এই সমস্ত ঘটার মাঝেই গঙ্গারামপুর শহরের এক কিশোরী নিখোঁজ হয় যায়। তার পরিবারের তরফ থেকেও দায় করা অভিযোগ।
আরও এক নাবালিকার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায় বংশীহারী থানা এলাকায়। শুধু কিশোরী নয় ১৯ এপ্রিল গঙ্গারামপুর এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হালদারপাড়ার এক বাসিন্দা রাধাগোবিন্দ ঘোষ (৩৩) নামক এক যুবককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হরিরামপুর থানার গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের জাঠিগ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বয়স (২৬) হরিরামপুর বাজারে এসে বেপাত্তা হয়ে যায়। সব হারিয়ে যাওয়াদেরই স্থানীয় থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পড়েছে পুলিশ কিন্তু কাউ কেই খুঁজে পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত। কোথায় গিয়েছে এই কিশোরী ও যুবকরা? এই নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে পুলিশ আধিকারিকদের।